১১৪ রানে অলআউট বাংলাদেশ, ১২৮ রানের হার
মেলবোর্ন, ১৪ মার্চ- পাকিস্তানের বিপক্ষে প্রথম ওয়ানডেতে দারুণ জয় পাওয়ার পর দ্বিতীয় ম্যাচে সিরিজ নিশ্চিত করার সুযোগ ছিল বাংলাদেশের সামনে। তবে বৃষ্টিবিঘ্নিত ম্যাচে ব্যাটিং বিপর্যয়ে…
মেলবোর্ন, ১৪ মার্চ- বাংলাদেশে ইনকিলাব মঞ্চের মুখপাত্র শরীফ ওসমান বিন হাদি হত্যাকাণ্ডের প্রধান অভিযুক্তদের ফেরত দেওয়ার বিষয়ে ভারতের অবস্থান জানতে চাওয়া হলে এ বিষয়ে সরাসরি মন্তব্য করতে রাজি হয়নি ভারত সরকার। দেশটির পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয় বলেছে, বিষয়টি আইন-শৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর তদন্তের সঙ্গে সংশ্লিষ্ট।
বৃহস্পতিবার ভারতের পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের সাপ্তাহিক ব্রিফিংয়ে এ বিষয়ে প্রশ্ন করা হলে মন্ত্রণালয়ের মুখপাত্র রণধীর জয়সওয়াল বলেন, পশ্চিমবঙ্গ পুলিশ ইতোমধ্যে এ বিষয়ে একটি বিজ্ঞপ্তি দিয়েছে। এটি আইন-শৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর তদন্তাধীন বিষয় হওয়ায় এ নিয়ে মন্তব্য করা সমীচীন নয়।
এর আগে পশ্চিমবঙ্গ রাজ্য পুলিশের স্পেশাল টাস্ক ফোর্স (এসটিএফ) এক বিবৃতিতে জানায়, গোপন তথ্যের ভিত্তিতে তারা জানতে পারে যে বাংলাদেশে চাঁদাবাজি ও খুনসহ একাধিক গুরুতর অপরাধের সঙ্গে জড়িত দুই বাংলাদেশি নাগরিক দেশ থেকে পালিয়ে অবৈধভাবে ভারতে প্রবেশ করেছে। তারা পশ্চিমবঙ্গের বনগাঁ সীমান্ত এলাকায় আশ্রয় নেওয়ার চেষ্টা করছিল এবং সুযোগ পেলে আবার বাংলাদেশে ফিরে যেতে পারে বলেও তথ্য পায় পুলিশ।
এই তথ্যের ভিত্তিতে পশ্চিমবঙ্গ রাজ্য এসটিএফ একটি অভিযান পরিচালনা করে এবং দুই ব্যক্তিকে আটক করে। তারা হলেন পটুয়াখালীর রাহুল ওরফে ফয়সাল করিম মাসুদ (৩৭) এবং ঢাকার আলমগীর হোসেন (৩৪)।
পুলিশের প্রাথমিক জিজ্ঞাসাবাদের বরাত দিয়ে বিবৃতিতে দাবি করা হয়, রাহুল ওরফে ফয়সাল করিম মাসুদ ও আলমগীর হোসেন ঢাকায় শরীফ ওসমান বিন হাদিকে হত্যার পর পালিয়ে মেঘালয় সীমান্ত দিয়ে অবৈধভাবে ভারতে প্রবেশ করেন। এরপর তারা ভারতের বিভিন্ন স্থানে আত্মগোপনে ছিলেন।
পরে আবার বাংলাদেশে ফিরে যাওয়ার উদ্দেশ্যে তারা সম্প্রতি বনগাঁ এলাকায় অবস্থান নিলে অভিযান চালিয়ে তাদের গ্রেপ্তার করা হয়। এ ঘটনায় এসটিএফ থানায় একটি মামলা দায়ের করা হয়েছে এবং অভিযুক্তদের আদালতে হাজির করা হয়েছে। বর্তমানে তাদের পুলিশি হেফাজতে রেখে তদন্ত চালানো হচ্ছে।
তবে পশ্চিমবঙ্গের একাধিক পুলিশ সূত্র ও স্থানীয় সাংবাদিকদের সঙ্গে কথা বলে জানা গেছে, অভিযুক্ত দুইজনকে গত বছরের ২৯ ডিসেম্বরই বনগাঁ এলাকায় গ্রেপ্তার করা হয়েছিল। যদিও বিষয়টি আইন-শৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনী আনুষ্ঠানিকভাবে সম্প্রতি স্বীকার করেছে।
অন্যদিকে বাংলাদেশের তদন্তকারী সংস্থার কয়েকজন কর্মকর্তাও জানিয়েছেন, অভিযুক্ত দুজন আগে থেকেই ভারতে আটক বা গ্রেপ্তার অবস্থায় রয়েছে বলে তাদের কাছে তথ্য ছিল। বিষয়টি নিয়ে দুই দেশের সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের মধ্যে যোগাযোগ চলছে বলে জানা গেছে।
স্বত্ব © ওটিএন বাংলা - 2026 | গোপনীয়তা নীতিমালা | ব্যবহারের নীতিমালা | সম্পাদকীয় নীতিমালা | Proudly Developed by @SSB it.au