অস্ট্রেলিয়া

মানবতাবিরোধী অপরাধের অভিযোগ

সিডনি ও মেলবোর্নে ফেরার পরই তিন ‘আইএসআইএস ব্রাইড’ গ্রেপ্তার

  • 10:46 pm - May 07, 2026
  • পঠিত হয়েছে:২০৫ বার
সিডনি ও মেলবোর্নে ফেরার পরই তিন ‘আইএসআইএস ব্রাইড’ গ্রেপ্তার। ছবিঃ সংগৃহীত

মেলবোর্ন, ৭ মে- অস্ট্রেলিয়ার সিডনি ও মেলবোর্ন বিমানবন্দরে মধ্যপ্রাচ্য থেকে ফিরে আসার সঙ্গে সঙ্গেই তিন নারীকে গ্রেপ্তার করেছে আইনশৃঙ্খলা বাহিনী। এদের বিরুদ্ধে দাসত্ব, মানবতাবিরোধী অপরাধ এবং সন্ত্রাসী সংগঠনের সঙ্গে সম্পৃক্ততার মতো গুরুতর অভিযোগ আনা হতে পারে বলে জানিয়েছে অস্ট্রেলিয়ান ফেডারেল পুলিশ (এএফপি)।

পুলিশ সূত্রে জানা যায়, গ্রেপ্তার হওয়া নারীদের মধ্যে রয়েছেন মেলবোর্নের এক ৫৩ বছর বয়সী দাদি কাওসার আব্বাস এবং তার ৩১ বছর বয়সী মেয়ে। দীর্ঘ এক দশকেরও বেশি সময় মধ্যপ্রাচ্যে অবস্থানের পর বৃহস্পতিবার রাতে তারা অস্ট্রেলিয়ায় ফিরে আসেন। ফেরার পরপরই মেলবোর্ন আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরে তাদের আটক করা হয়।

এএফপির কাউন্টার টেররিজম বিভাগের সহকারী কমিশনার স্টিফেন নাট জানিয়েছেন, ৫৩ বছর বয়সী ওই নারীর বিরুদ্ধে চারটি গুরুতর অভিযোগ আনার প্রস্তুতি চলছে। এর মধ্যে রয়েছে মানবতাবিরোধী অপরাধ, দাসত্ব, দাস রাখা, দাস ব্যবহার এবং দাস ব্যবসার সঙ্গে জড়িত থাকার অভিযোগ। প্রতিটি অভিযোগে সর্বোচ্চ ২৫ বছর পর্যন্ত কারাদণ্ড হতে পারে।

অন্যদিকে ৩১ বছর বয়সী নারীর বিরুদ্ধেও দুটি অভিযোগ আনার কথা বলা হয়েছে। তার মধ্যে রয়েছে মানবতাবিরোধী অপরাধ এবং দাসত্ব ও দাস ব্যবহারের অভিযোগ। এসব অপরাধেও সর্বোচ্চ ২৫ বছর পর্যন্ত কারাদণ্ডের বিধান রয়েছে।

পুলিশ জানিয়েছে, অভিযুক্ত দুই নারীকে অভিযোগ গঠনের পর ভিক্টোরিয়া রাজ্যের আদালতে হাজির করা হবে।

এএফপি অবশ্য গ্রেপ্তার হওয়া নারীদের নাম প্রকাশ করেনি। তবে তারা নিশ্চিত করেছে যে সিডনি বিমানবন্দরে যে নারী গ্রেপ্তার হয়েছেন, তিনি জানাই সাফার নামে পরিচিত। তাকে নিয়ে আলাদা একটি সন্ত্রাসবিরোধী মামলার তদন্ত চলছে।

সিডনি বিমানবন্দরে নেমেই নিউ সাউথ ওয়েলস যৌথ কাউন্টার টেররিজম টিম ৩২ বছর বয়সী ওই নারীকে আটক করে। তার বিরুদ্ধে অভিযোগ আনা হতে পারে যে তিনি একটি ঘোষিত সন্ত্রাসী এলাকায় প্রবেশ বা অবস্থান করেছেন এবং একটি সন্ত্রাসী সংগঠনের সদস্য ছিলেন।

এদিকে গ্রেপ্তারের সময় মেলবোর্ন বিমানবন্দরে উত্তেজনাকর পরিস্থিতি তৈরি হয় বলে জানিয়েছে স্থানীয় গণমাধ্যম। আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর তৎপরতায় দ্রুত পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনা হয়।

পুলিশ আরও জানিয়েছে, একই সঙ্গে যাওয়া আরেক নারী, যিনি ওই পরিবারের সদস্য, তার বিরুদ্ধে কোনো অভিযোগ আনা হয়নি। ফলে তাকে আটকও করা হয়নি।

অস্ট্রেলিয়ার আইনশৃঙ্খলা বাহিনী বলছে, দীর্ঘদিন ধরে মধ্যপ্রাচ্যে অবস্থান এবং সন্দেহভাজন সন্ত্রাসী সংগঠনের সঙ্গে যোগাযোগ থাকার বিষয়গুলো গুরুত্ব দিয়ে তদন্ত করা হচ্ছে। এই মামলাকে দেশটির নিরাপত্তার জন্য অত্যন্ত সংবেদনশীল হিসেবে দেখা হচ্ছে।

সূত্রঃ news.com.au

এই শাখার আরও খবর

জাতিসংঘে নতুন বিশ্ব মানচিত্র অনুমোদন, বদলাবে প্রচলিত মানচিত্রের ধারণা

বিশ্বের প্রচলিত মানচিত্রে আফ্রিকার আয়তন বাস্তবের তুলনায় ছোট করে দেখানোর দীর্ঘদিনের সমালোচনার মধ্যে ‘ইকুয়াল আর্থ’ নামে নতুন ধরনের বিশ্ব মানচিত্র ব্যবহারে উৎসাহ দেওয়ার প্রস্তাব অনুমোদন…

কেরালায় লরির সঙ্গে গাড়ির সংঘর্ষে ৮ শিক্ষার্থী নিহত

ভারতের কেরালা রাজ্যের ত্রিশুর জেলায় ভয়াবহ সড়ক দুর্ঘটনায় আটজন নিহত হয়েছেন। নিহতরা প্রতিবেশী রাজ্য তামিলনাড়ুর শিক্ষার্থী বলে প্রাথমিকভাবে ধারণা করছে পুলিশ। শনিবার(৫ সেপ্টেম্বর) পুলিশ জানায়,…

এয়ারবাস কেলেঙ্কারিতে শ্রীলঙ্কার সাবেক প্রেসিডেন্টের ছেলে গ্রেপ্তার

এয়ারবাসের বিমান কেনাবেচায় ঘুষ নেওয়ার অভিযোগে শ্রীলঙ্কার সাবেক প্রেসিডেন্ট মাহিন্দা রাজাপক্ষের ছেলে ও দেশটির সংসদ সদস্য নামাল রাজাপক্ষে গ্রেপ্তার হয়েছেন। শুক্রবার দেশটির দুর্নীতি দমন কর্তৃপক্ষ…

কিয়েভে রুশ ড্রোন হামলায় জ্বলছে ইউক্রেনের গোয়েন্দা সদর দপ্তর

ইউক্রেনের রাজধানী কিয়েভে দেশটির নিরাপত্তা সংস্থা এসবিইউর সদর দপ্তরে রুশ ড্রোন হামলা হয়েছে। শুক্রবার দিনের আলোতে গুরুত্বপূর্ণ এই সরকারি ভবনে সরাসরি ড্রোন আঘাত হানার ঘটনায়…

‘নো গ্যাস নো বিল, নো সার্ভিস নো ট্যাক্স’

গ্যাস সংকট ও নাগরিক সেবার ঘাটতি নিয়ে ক্ষোভ প্রকাশ করেছেন ব্রাহ্মণবাড়িয়া-২ আসনের স্বতন্ত্র সংসদ সদস্য রুমিন ফারহানা। সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম ফেসবুকে দেওয়া এক পোস্টে তিনি গ্যাস…

দীর্ঘ সময় ইতালির ক্ষমতায় থাকা মেলোনিকে মোদির শুভেচ্ছা, কী ছিল বার্তায়?

দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধের পর ইতালির সবচেয়ে দীর্ঘ সময় দায়িত্ব পালন করা প্রধানমন্ত্রী হিসেবে নতুন রেকর্ড গড়েছেন জর্জিয়া মেলোনি। এই সাফল্যে তাকে অভিনন্দন জানিয়েছেন ভারতের প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র…

স্বত্ব © ওটিএন বাংলা - 2026 | গোপনীয়তা নীতিমালা | ব্যবহারের নীতিমালা | সম্পাদকীয় নীতিমালা | Proudly Developed by @SSB it.au