সাভারে শিশু শিক্ষার্থীকে যৌন হয়রানির অভিযোগে মাদ্রাসা শিক্ষক গ্রেপ্তার। ছবিঃ সংগৃহীত
মেলবোর্ন, ৮ মে- সাভারের আশুলিয়ায় সাত বছরের এক মাদ্রাসাছাত্রীকে যৌন হয়রানির অভিযোগে দুই মাদ্রাসা শিক্ষককে গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ। আটক ব্যক্তিরা হলেন মাদ্রাসার প্রিন্সিপাল আনোয়ার এবং শিক্ষক ইলিয়াস।
বৃহস্পতিবার (৭ মে) দুপুরে আশুলিয়ার দক্ষিণ গাজীরচট এলাকার রাওজাতুল কুরআন আধুনিক নূরানী ও হাফিজিয়া মাদ্রাসা থেকে তাদের আটক করা হয়। রাতে আশুলিয়া থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মোহাম্মদ তরিকুল ইসলাম ঘটনার সত্যতা নিশ্চিত করেছেন।
গ্রেপ্তার মোহাম্মদ ইলিয়াস ময়মনসিংহ জেলার পূর্বতলা থানার কুকলা গ্রামের আব্দুল হালিমের ছেলে। তিনি আশুলিয়ার দক্ষিণ গাজীরচট এলাকার ওই মাদ্রাসার শিক্ষক। ভুক্তভোগী শিশুটি ওই মাদ্রাসার প্রথম শ্রেণির শিক্ষার্থী।
ভুক্তভোগী শিশুর স্বজনদের বরাত দিয়ে পুলিশ জানায়, শিশুটি তার চাচার বাড়িতে থেকে ওই মাদ্রাসায় পড়াশোনা করে। গত বুধবার (৬ মে) বিকেলে মাদ্রাসা থেকে বাসায় ফিরে শিশুটি কান্নাকাটি করছিল। পরে স্বজনরা তাকে জিজ্ঞাসা করলে সে ওই শিক্ষকের বিরুদ্ধে যৌন হয়রানির অভিযোগ করে। এরপর স্বজনরা মাদ্রাসা কর্তৃপক্ষ ও পুলিশকে বিষয়টি জানান।
অভিযোগ ওঠার পর মাদ্রাসা কর্তৃপক্ষ বিষয়টি ধামাচাপা দিয়ে স্থানীয়ভাবে মীমাংসার চেষ্টা করে বলে অভিযোগ করেছেন স্বজনরা। তবে ঘটনাটি এলাকায় ছড়িয়ে পড়লে ক্ষুব্ধ স্থানীয়রা অভিযুক্ত শিক্ষক ও প্রিন্সিপালকে আটক করে রাখেন এবং পুলিশে খবর দেন।
আশুলিয়া থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মোহাম্মদ তরিকুল ইসলাম বলেন, ‘দুপুরে খবর পেয়ে ঘটনাস্থল পরিদর্শন করে অভিযুক্ত মাদ্রাসা শিক্ষককে আটক করে পুলিশ। এ ঘটনায় ভুক্তভোগী শিক্ষার্থীর স্বজনরা একটি মামলা করেছেন। শুক্রবার (আজ) গ্রেপ্তার শিক্ষককে আদালতে পাঠানো হবে।’
ঢাকার আশুলিয়া এলাকায় ৭ বছরের এক শিশু শিক্ষার্থীকে যৌন হয়রানির অভিযোগে মাদ্রাসার প্রিন্সিপাল ও এক শিক্ষককে আটক করেছে পুলিশ। বৃহস্পতিবার দুপুরে আশুলিয়ার গাজিরচট এলাকার রাওজাতুল কুরআন আধুনিক নূরানী ও হাফিজিয়া মাদ্রাসা থেকে তাদের আটক করা হয়।