বিশ্ববাজারে আবারও বাড়ল তেলের দাম
মেলবোর্ন, ২৭ মে- ইরানের দক্ষিণাঞ্চলে যুক্তরাষ্ট্রের নতুন হামলার পর আন্তর্জাতিক জ্বালানি বাজারে আবারও অস্থিরতা দেখা দিয়েছে। একদিনের ব্যবধানে বিশ্ববাজারে অপরিশোধিত তেলের দাম বেড়েছে, যা নিয়ে নতুন…
মেলবোর্ন, ২৭ মে- অস্বাভাবিক তাপপ্রবাহে পুড়ছে পশ্চিম ইউরোপের কয়েকটি দেশ। ফ্রান্স, পর্তুগাল, স্পেন ও যুক্তরাজ্যে গত কয়েক দিন ধরে তাপমাত্রা রেকর্ড মাত্রায় পৌঁছেছে। কোথাও কোথাও তাপমাত্রা ৪০ ডিগ্রি সেলসিয়াসের কাছাকাছি চলে যাওয়ায় জনজীবনে চরম দুর্ভোগ নেমে এসেছে।
ফ্রান্সের আবহাওয়া দপ্তর মেটেও ফ্রান্স জানিয়েছে, গত বৃহস্পতিবার থেকে শুরু হওয়া তাপপ্রবাহ শিগগিরই কমার সম্ভাবনা নেই। রাজধানী প্যারিসে টানা চার দিন ধরে তাপমাত্রা ৩৫ ডিগ্রি সেলসিয়াসের আশপাশে রয়েছে। দেশটির বিভিন্ন শহর ও গ্রামীণ এলাকায় তাপমাত্রা ৩৯ ডিগ্রি পর্যন্ত উঠেছে বলে জানিয়েছে সংস্থাটি।
পর্তুগালেও পরিস্থিতি উদ্বেগজনক হয়ে উঠেছে। দেশটির বেশ কয়েকটি অঞ্চলে গত চার দিন ধরে তাপমাত্রা ৩০ ডিগ্রির নিচে নামেনি। তীব্র গরমের কারণে ইতোমধ্যে ছয়টি জেলায় ‘হলুদ সতর্কতা’ জারি করেছে কর্তৃপক্ষ। স্বাস্থ্যঝুঁকি এড়াতে শিশু, বয়স্ক ও অসুস্থ ব্যক্তিদের প্রয়োজন ছাড়া বাইরে না যাওয়ার পরামর্শ দেওয়া হয়েছে।
স্পেনের উত্তর উপকূলবর্তী অঞ্চলগুলোতেও তীব্র তাপপ্রবাহ বয়ে যাচ্ছে। দেশটির আবহাওয়া দপ্তর এইমেট জানিয়েছে, উত্তরাঞ্চলের বিভিন্ন শহর ও গ্রামে কয়েক দিন ধরে তাপমাত্রা ৩৪ ডিগ্রি সেলসিয়াসের ঘরে অবস্থান করছে। সংস্থাটি এই পরিস্থিতিকে “অস্বাভাবিক উচ্চ তাপমাত্রা” হিসেবে উল্লেখ করেছে।
যুক্তরাজ্যেও একই চিত্র দেখা যাচ্ছে। সাধারণত শীতল আবহাওয়ার দেশ হিসেবে পরিচিত এই দেশে গত চার দিন ধরে বিভিন্ন অঞ্চলে তাপমাত্রা ৩৫ ডিগ্রি পর্যন্ত পৌঁছেছে। এতে জনস্বাস্থ্য, পরিবহন ও বিদ্যুৎ ব্যবস্থার ওপর বাড়তি চাপ তৈরি হয়েছে।
বিশেষজ্ঞরা বলছেন, মে মাসে পশ্চিম ইউরোপে এমন তাপমাত্রা অত্যন্ত বিরল ঘটনা। সাধারণত এই সময়ে অঞ্চলটিতে তাপমাত্রা ২০ ডিগ্রি সেলসিয়াসের বেশি থাকে না।
এর আগে ১৯২২ সালের মে মাসে ফ্রান্স, স্পেন, পর্তুগাল ও যুক্তরাজ্যে গড় তাপমাত্রা ৩২ ডিগ্রি সেলসিয়াসে পৌঁছেছিল, যা এতদিন মে মাসের সর্বোচ্চ রেকর্ড হিসেবে বিবেচিত হতো। এবার সেই রেকর্ডও ভেঙে যেতে পারে বলে আশঙ্কা করছেন আবহাওয়াবিদরা।
জলবায়ু বিশেষজ্ঞদের মতে, বৈশ্বিক উষ্ণতা ও জলবায়ু পরিবর্তনের প্রভাবেই ইউরোপে তাপপ্রবাহের ঘটনা ক্রমশ বাড়ছে এবং তা আরও দীর্ঘস্থায়ী ও তীব্র হয়ে উঠছে।
সূত্র : এএফপি
স্বত্ব © ওটিএন বাংলা - 2026 | গোপনীয়তা নীতিমালা | ব্যবহারের নীতিমালা | সম্পাদকীয় নীতিমালা | Proudly Developed by @SSB it.au