থাইল্যান্ডের স্কুলে কিশোরের গুলিতে নিহত বেড়ে ৭
মেলবোর্ন, ৭ আগষ্ট: থাইল্যান্ডের একটি স্কুলে এক শিক্ষার্থীর গুলিতে শিক্ষকসহ অন্তত সাতজন নিহত হয়েছেন। আহত হয়েছেন আরও ১৫ জন। হামলার পর ওই শিক্ষার্থী আত্মহত্যা করেছে…
মেলবোর্ন, ৭ আগষ্ট: জাপানের দক্ষিণ-পশ্চিমাঞ্চলের দিকে ধেয়ে আসছে শক্তিশালী টাইফুন ডলফিন। সম্ভাব্য দুর্যোগ মোকাবিলায় আগাম সতর্কতামূলক ব্যবস্থা হিসেবে দেশটির সরকার ইতোমধ্যে ৫ শতাধিক ফ্লাইট বাতিল করেছে এবং উপকূলীয় বিভিন্ন এলাকা থেকে প্রায় ২ লাখ ৬০ হাজার মানুষকে নিরাপদ আশ্রয়ে সরিয়ে নিয়েছে। টাইফুনটি শুক্রবার রাত অথবা শনিবার ভোরে ওকিনাওয়া উপকূলে আঘাত হানতে পারে বলে আশঙ্কা করা হচ্ছে।
জাপান আবহাওয়া সংস্থা (জেএমএ) টাইফুন ডলফিনকে ক্যাটাগরি-১ ঘূর্ণিঝড় হিসেবে চিহ্নিত করেছে। সংস্থাটির সর্বশেষ পূর্বাভাস অনুযায়ী, উত্তর-পশ্চিম প্রশান্ত মহাসাগরে সৃষ্ট এই টাইফুনটি বর্তমানে কিউশু অঞ্চলের ওকিনাওয়া উপকূল থেকে প্রায় ১২৬ কিলোমিটার দূরে অবস্থান করছে এবং ঘণ্টায় ২০ থেকে ২৮ কিলোমিটার গতিতে স্থলভাগের দিকে অগ্রসর হচ্ছে।
আবহাওয়া অধিদপ্তর জানিয়েছে, স্থলভাগে আঘাত হানার সময় টাইফুনটির বাতাসের গতিবেগ ঘণ্টায় ১৪৪ থেকে ১৯৮ কিলোমিটার পর্যন্ত পৌঁছাতে পারে। এর ফলে উপকূলীয় এলাকায় ব্যাপক ক্ষয়ক্ষতি, ঘরবাড়ি ও বিভিন্ন স্থাপনার ক্ষতির পাশাপাশি প্রবল বর্ষণের কারণে আকস্মিক বন্যা ও ভূমিধসের আশঙ্কাও রয়েছে।
রয়টার্স জানিয়েছে, শুক্রবার ভোর থেকেই ওকিনাওয়া ও আশপাশের এলাকায় ঝোড়ো হাওয়া ও ভারী বৃষ্টিপাত শুরু হয়েছে। পরিস্থিতি মোকাবিলায় স্থানীয় প্রশাসন জরুরি প্রস্তুতি জোরদার করেছে এবং উপকূলীয় বাসিন্দাদের নিরাপদ আশ্রয়ে সরে যাওয়ার নির্দেশ দেওয়া হয়েছে।
টাইফুনের প্রভাব বিবেচনায় ওকিনাওয়া ও পার্শ্ববর্তী কাগোশিমা অঞ্চল থেকে প্রায় ২ লাখ ৬০ হাজার মানুষকে সরিয়ে নেওয়া হয়েছে। একই সঙ্গে অভ্যন্তরীণ ও আন্তর্জাতিক মিলিয়ে ৫ শতাধিক ফ্লাইট বাতিল করায় বিমান চলাচলে বড় ধরনের বিঘ্ন সৃষ্টি হয়েছে।
জাপান আবহাওয়া সংস্থা আরও জানিয়েছে, স্থলভাগে প্রবেশের আগ পর্যন্ত টাইফুন ডলফিন তার শক্তি ধরে রাখতে পারে। এমনটি হলে প্রবল বাতাস, জলোচ্ছ্বাস ও অতিবৃষ্টির কারণে বিস্তীর্ণ এলাকায় বিদ্যুৎ বিচ্ছিন্নতা, যোগাযোগ ব্যবস্থা ব্যাহত হওয়া এবং অবকাঠামোর উল্লেখযোগ্য ক্ষয়ক্ষতির আশঙ্কা রয়েছে।
এদিকে টাইফুনের প্রভাব ইতোমধ্যেই কিউশু অঞ্চলের বিস্তীর্ণ এলাকায় অনুভূত হচ্ছে। বিশেষ করে কুমামোতো জেলাকে নিয়ে উদ্বেগ বেশি, কারণ গত সপ্তাহে সেখানে ৭ দশমিক ১ মাত্রার ভূমিকম্প আঘাত হেনেছিল। ভূমিকম্পের ক্ষয়ক্ষতি পুরোপুরি কাটিয়ে ওঠার আগেই নতুন এই প্রাকৃতিক দুর্যোগ স্থানীয় বাসিন্দাদের জন্য আরও বড় চ্যালেঞ্জ হয়ে দেখা দিয়েছে।
জাপান সরকার নাগরিকদের অপ্রয়োজনীয় ভ্রমণ এড়িয়ে চলা, স্থানীয় প্রশাসনের নির্দেশনা মেনে চলা এবং প্রয়োজনীয় সতর্কতা অবলম্বনের আহ্বান জানিয়েছে। পরিস্থিতি সার্বক্ষণিক পর্যবেক্ষণ করছে দেশটির দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা কর্তৃপক্ষ।
সূত্র : রয়টার্স
স্বত্ব © ওটিএন বাংলা - 2026 | গোপনীয়তা নীতিমালা | ব্যবহারের নীতিমালা | সম্পাদকীয় নীতিমালা | Proudly Developed by @SSB it.au