পরিবেশের চাপে ভারতে গুগলের ১৫ বিলিয়ন ডলারের ডেটা সেন্টার প্রকল্প
মেলবোর্ন,৯ আগষ্ট: ভারতের অন্ধ্র প্রদেশে গুগলের পরিকল্পিত ১৫ বিলিয়ন ডলারের ডেটাসেন্টার প্রকল্প নির্মাণ ঘিরে পরিবেশগত উদ্বেগ ক্রমেই বাড়ছে। পানি সরবরাহ, বন্য প্রাণীর আবাসস্থল ও নির্মাণ…
মেলবোর্ন,৯ আগষ্ট: রাশিয়ার জ্বালানি আমদানির ওপর আরও কঠোর নিষেধাজ্ঞা আরোপের পথ তৈরি করেছে যুক্তরাষ্ট্রের সিনেট। রাশিয়ার তেল ও প্রাকৃতিক গ্যাসের শীর্ষ পাঁচ ক্রেতা দেশের ওপর সর্বোচ্চ ১০০ শতাংশ পর্যন্ত শুল্ক আরোপের ক্ষমতা মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পকে দেওয়ার একটি বিল ৮৬-১১ ভোটে অনুমোদন করেছে সিনেট। শীর্ষ আমদানিকারক দেশের তালিকায় থাকায় এ সিদ্ধান্ত কার্যকর হলে ভারত ও চীন বড় ধরনের বাণিজ্যিক চাপের মুখে পড়তে পারে।
ইউক্রেন যুদ্ধের প্রেক্ষাপটে রাশিয়ার ওপর অর্থনৈতিক চাপ আরও বাড়ানোর লক্ষ্যেই বিলটি আনা হয়েছে। প্রয়াত রিপাবলিকান সিনেটর ও ইউক্রেনের কট্টর সমর্থক লিন্ডসে গ্রাহামের স্মরণে বিলটির নামকরণ করা হয়েছে।
বিলটি পাসে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখা ডেমোক্রেটিক সিনেটর রিচার্ড ব্লুমেনথাল বলেন, এর মাধ্যমে ইউক্রেনের জনগণকে স্পষ্ট বার্তা দেওয়া হয়েছে যে তারা একা নয় এবং রুশ প্রেসিডেন্ট ভ্লাদিমির পুতিন ইউক্রেন জয় করতে পারবেন না। অন্যদিকে সিনেটে গ্রাহামের স্থলাভিষিক্ত তাঁর বোন ডারলিন গ্রাহাম বলেন, প্রস্তাবিত আইনটি রাশিয়ার ওপর সরাসরি অর্থনৈতিক চাপ তৈরি করবে।
ভারত ও চীনের পাশাপাশি আজারবাইজান, হাঙ্গেরি ও স্লোভাকিয়াও রাশিয়ার তেল ও গ্যাসের শীর্ষ পাঁচ আমদানিকারকের তালিকায় রয়েছে। ফলে বিলটি আইনে পরিণত হলে এসব দেশও সম্ভাব্য শুল্কের আওতায় পড়তে পারে। তবে প্রস্তাবিত আইনে কিছু ছাড়ের ব্যবস্থাও রাখা হয়েছে। কোনো দেশ রাশিয়া থেকে ১৫ শতাংশের কম প্রাকৃতিক গ্যাস আমদানি করলে এবং আমদানি কমানোর জন্য নিয়মিত পদক্ষেপ নিলে তারা এই শুল্ক থেকে ছাড় পেতে পারে।
রাশিয়ার ওপর চাপ বাড়ানোর পাশাপাশি নিষেধাজ্ঞা এড়াতে মস্কোর ব্যবহৃত পুরোনো বা নাম পরিবর্তন করা তেলবাহী ট্যাংকার গুলোর বিরুদ্ধেও ব্যবস্থা নেওয়ার বিধান রাখা হয়েছে। তবে জাতীয় স্বার্থ বিবেচনায় মার্কিন প্রেসিডেন্ট চাইলে কিছু ক্ষেত্রে নিষেধাজ্ঞা বা শুল্ক থেকে ছাড় দেওয়ার ক্ষমতাও পাবেন।
বিলটিতে রাশিয়ার পাশাপাশি ইরানের বিরুদ্ধেও নতুন ব্যবস্থা রাখা হয়েছে। ১৯৯৬ সালের ইরান নিষেধাজ্ঞা আইনের মেয়াদ ২০৩১ সাল পর্যন্ত বাড়ানোর প্রস্তাব করা হয়েছে। এর ফলে ইরানের জ্বালানি খাতে বিনিয়োগকারী বিভিন্ন প্রতিষ্ঠানও মার্কিন নিষেধাজ্ঞার আওতায় পড়তে পারে।
সিনেটে অনুমোদনের পর বিলটি এখন মার্কিন কংগ্রেসের নিম্নকক্ষ প্রতিনিধি পরিষদে পাঠানো হয়েছে। আগামী ৩১ আগস্ট প্রতিনিধি পরিষদের অধিবেশন বসার পর সেখানে বিলটি উত্থাপনের কথা রয়েছে। প্রতিনিধি পরিষদে অনুমোদন এবং পরবর্তী প্রক্রিয়া শেষে প্রেসিডেন্টের স্বাক্ষর হলে এটি আইনে পরিণত হবে।
স্বত্ব © ওটিএন বাংলা - 2026 | গোপনীয়তা নীতিমালা | ব্যবহারের নীতিমালা | সম্পাদকীয় নীতিমালা | Proudly Developed by @SSB it.au