মানবিক বিভাগে ১০০ ছাত্রের ৫৯ জনই ফেল
মেলবোর্ন, ১০ আগষ্ট: চলতি বছরের এসএসসি ও সমমানের পরীক্ষার ফলাফলে মানবিক বিভাগে ছাত্রদের ফলাফলে বড় ধরনের অবনমন দেখা গেছে। ৯টি সাধারণ শিক্ষা বোর্ডের ফলাফল বিশ্লেষণে দেখা…
মেলবোর্ন, ১০ আগষ্ট: দক্ষিণ আফ্রিকার কেপটাউন মহানগর এলাকায় পৃথক তিনটি বন্দুক হামলায় অন্তত ১১ জন নিহত হয়েছেন। এসব ঘটনায় আরও দুজন আহত হয়েছেন। রোববার (৯ আগস্ট) দেশটির পুলিশ হামলার বিষয়টি নিশ্চিত করেছে। ঘটনাগুলোর পর হামলার কারণ জানতে তদন্ত শুরু করেছে আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনী।
পুলিশ জানিয়েছে, কেপটাউনের কায়েলিতশা, লাঙ্গা ও গুগুলেথু এলাকায় পৃথকভাবে এসব হামলার ঘটনা ঘটে। তিনটি ঘটনাতেই আগ্নেয়াস্ত্র ব্যবহার করা হয়েছে। তবে হামলাগুলোর পেছনে কারা রয়েছে বা তাদের উদ্দেশ্য কী ছিল, সে বিষয়ে তাৎক্ষণিকভাবে কোনো তথ্য পাওয়া যায়নি।
পুলিশের দেওয়া তথ্য অনুযায়ী, কায়েলিতশার লিঙ্গেলেথু ওয়েস্ট এলাকায় প্রথম হামলার ঘটনা ঘটে। সেখানে গুলিতে ২৫, ৩১ ও ৩৫ বছর বয়সী তিন ব্যক্তি নিহত হন। হামলার পর পুলিশ ঘটনাস্থলে গিয়ে আলামত সংগ্রহ করে এবং প্রত্যক্ষদর্শীদের কাছ থেকে তথ্য নেওয়ার চেষ্টা করে।
এরপর লাঙ্গার কোয়ালাঙ্গা এলাকায় উইনি ম্যান্ডেলা স্ট্রিটে দ্বিতীয় বন্দুক হামলার ঘটনা ঘটে। সেখানে চারজন পুরুষ ও একজন নারী গুলিবিদ্ধ হয়ে নিহত হন। এই হামলার পর এলাকায় আতঙ্ক ছড়িয়ে পড়ে এবং নিরাপত্তার কারণে পুলিশ সদস্যদের উপস্থিতি বাড়ানো হয়।
অন্যদিকে গুগুলেথুর বার্সেলোনা এলাকায় তৃতীয় হামলায় দুই পুরুষ ও এক নারী নিহত হন। এ ঘটনায় আরও দুজন আহত হয়েছেন। আহতদের স্থানীয় হাসপাতালে চিকিৎসার জন্য নেওয়া হয়েছে বলে জানা গেছে।
তিনটি হামলার কোনোটির সঙ্গেই তাৎক্ষণিকভাবে কোনো ব্যক্তি বা গোষ্ঠীর সংশ্লিষ্টতা নিশ্চিত করতে পারেনি পুলিশ। হামলাগুলোর মধ্যে কোনো যোগসূত্র রয়েছে কি না, সেটিও তদন্ত করে দেখা হচ্ছে।
দক্ষিণ আফ্রিকার পশ্চিম কেপ প্রদেশে দীর্ঘদিন ধরেই গ্যাং সহিংসতা ও অবৈধ আগ্নেয়াস্ত্র নিয়ে উদ্বেগ রয়েছে। কেপটাউনের বিভিন্ন এলাকায় সংঘবদ্ধ অপরাধ ও গুলির ঘটনা আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতির জন্য বড় চ্যালেঞ্জ হয়ে দাঁড়িয়েছে। তবে সর্বশেষ তিনটি হামলা একই ধরনের কোনো অপরাধচক্রের সঙ্গে যুক্ত কি না, তা এখনো স্পষ্ট নয়।
হামলার পর কেপটাউনের ঝুঁকিপূর্ণ এলাকাগুলোতে অতিরিক্ত পুলিশ মোতায়েন করা হয়েছে। একই সঙ্গে সন্দেহভাজনদের শনাক্ত ও গ্রেপ্তারে অভিযান চালানো হচ্ছে। ঘটনাস্থলগুলোতে ফরেনসিক দলও কাজ করছে বলে জানিয়েছে পুলিশ।
পশ্চিম কেপ প্রদেশের পুলিশ কমিশনার লেফটেন্যান্ট জেনারেল সিজাকেলে দিয়ান্তি স্থানীয় বাসিন্দাদের কাছে হামলা-সংক্রান্ত যেকোনো তথ্য আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীকে জানানোর আহ্বান জানিয়েছেন। হামলাকারীদের শনাক্ত ও গ্রেপ্তারে সহায়ক তথ্য প্রদানকারীদের জন্য পুরস্কার দেওয়ার কথাও জানিয়েছেন তিনি।
এদিকে পরপর তিনটি বন্দুক হামলায় ১১ জন নিহত হওয়ার ঘটনায় কেপটাউন মহানগর এলাকায় নতুন করে নিরাপত্তা উদ্বেগ তৈরি হয়েছে। হামলার প্রকৃত কারণ এবং জড়িত ব্যক্তিদের শনাক্ত করতে তদন্ত অব্যাহত রয়েছে বলে জানিয়েছে দক্ষিণ আফ্রিকার পুলিশ।
স্বত্ব © ওটিএন বাংলা - 2026 | গোপনীয়তা নীতিমালা | ব্যবহারের নীতিমালা | সম্পাদকীয় নীতিমালা | Proudly Developed by @SSB it.au