লাকেম্বা মসজিদের মাইকে আজান প্রচারের প্রস্তাব ফের বাধার মুখে
মেলবোর্ন, ১৯ আগষ্ট: অস্ট্রেলিয়ার সিডনির লাকেম্বা মসজিদের মিনার থেকে লাউডস্পিকারে আজান প্রচারের প্রস্তাব আবারও বড় ধরনের বাধার মুখে পড়েছে। শব্দদূষণ নিয়ে উদ্বেগ এবং স্থানীয় বাসিন্দাদের…
মেলবোর্ন, ১৯ আগষ্ট: ইরান সাময়িক যুদ্ধবিরতির পরিবর্তে চলমান সংঘাতের স্থায়ী অবসান চায় বলে জানিয়েছেন দেশটির পররাষ্ট্রমন্ত্রী আব্বাস আরাঘচি। একই সঙ্গে আঞ্চলিক উত্তেজনা কমাতে এবং প্রতিবেশী দেশগুলোর সঙ্গে সম্পর্ক আরও শক্তিশালী করতে ইরান কাজ করছে বলেও জানিয়েছেন তিনি।
মঙ্গলবার (১৮ আগস্ট) ইরানের রাষ্ট্রীয় টেলিভিশনকে দেওয়া এক সাক্ষাৎকারে এসব কথা বলেন আব্বাস আরাঘচি। কাতারভিত্তিক সংবাদমাধ্যম আলজাজিরা এ তথ্য জানিয়েছে।
আব্বাস আরাঘচি বলেন, প্রেসিডেন্ট মাসুদ পেজেশকিয়ানের প্রশাসনের অধীনে ইরানের পররাষ্ট্রনীতিতে প্রতিবেশী দেশগুলোকে বিশেষ অগ্রাধিকার দেওয়া হয়েছে। আঞ্চলিক স্থিতিশীলতা ও উত্তেজনা কমানোর লক্ষ্যে প্রতিবেশী রাষ্ট্রগুলোর সঙ্গে যোগাযোগ ও সহযোগিতা বাড়ানো হচ্ছে।
তিনি বলেন, ইরান প্রতিটি প্রতিবেশী দেশের সঙ্গে বিদ্যমান উত্তেজনা দূর করার পাশাপাশি বৃহত্তর আঞ্চলিক সম্পৃক্ততা এবং আঞ্চলিক কূটনীতিকে গুরুত্ব দিচ্ছে। এর মাধ্যমে প্রতিবেশীদের সঙ্গে রাজনৈতিক, অর্থনৈতিক ও কূটনৈতিক সম্পর্ক আরও জোরদার করার চেষ্টা চলছে।
সাম্প্রতিক অস্থিরতার সময় ইরানকে সহযোগিতা করায় প্রতিবেশী দেশগুলোর প্রশংসাও করেন ইরানের পররাষ্ট্রমন্ত্রী। তিনি জানান, কয়েকটি প্রতিবেশী দেশ ইরানকে প্রয়োজনীয় পণ্য ও ওষুধ সরবরাহ করেছে। একই সঙ্গে এসব দেশের ভূখণ্ড ব্যবহার করে বিভিন্ন দেশে আটকে পড়া ইরানি নাগরিকদের দেশে ফেরার সুযোগ দেওয়া হয়েছে।
এ ছাড়া সংকটের সময় ইরানি বিমানকে কয়েকটি প্রতিবেশী দেশের আকাশসীমা ব্যবহারের সুযোগ দেওয়া হয়েছিল বলেও জানান আব্বাস আরাঘচি। তার মতে, এসব সহযোগিতা প্রতিবেশী দেশগুলোর সঙ্গে ইরানের সম্পর্কের গুরুত্বকে আরও স্পষ্ট করেছে।
সাক্ষাৎকারে সাম্প্রতিক সংঘাত নিয়ে ইরানের অবস্থানও স্পষ্ট করেন আব্বাস আরাঘচি। তিনি জানান, যুদ্ধের শুরুতে দেওয়া যুদ্ধবিরতির আহ্বান ইরান প্রত্যাখ্যান করেছিল।
তার ভাষায়, “আমরা যুদ্ধবিরতি চাই না; আমরা যুদ্ধের অবসান চাই।”
ইরানের পররাষ্ট্রমন্ত্রী বলেন, এমন কোনো পরিস্থিতি তারা চান না যেখানে একটি সংঘাত সাময়িক যুদ্ধবিরতির মাধ্যমে থেমে যাবে এবং কয়েক মাস পর আবার নতুন করে শুরু হবে।
তার মতে, কোনো সংঘাত বারবার যুদ্ধবিরতি ও পুনরায় যুদ্ধ শুরুর ধারায় পরিণত হলে সেটি একটি নিয়মে পরিণত হতে পারে। ইরান এমন পরিস্থিতি চায় না। বরং সংঘাতের এমন একটি স্থায়ী সমাধান চায়, যার মাধ্যমে যুদ্ধ পুরোপুরি বন্ধ করা সম্ভব হবে।
আব্বাস আরাঘচির বক্তব্যে একই সঙ্গে ইরানের আঞ্চলিক কূটনীতিতে প্রতিবেশী দেশগুলোর গুরুত্ব এবং চলমান সংঘাতের স্থায়ী সমাধানের বিষয়ে তেহরানের অবস্থান স্পষ্ট হয়েছে। তিনি জানান, আঞ্চলিক উত্তেজনা কমানো এবং প্রতিবেশীদের সঙ্গে সহযোগিতা বাড়ানো ইরানের পররাষ্ট্রনীতির গুরুত্বপূর্ণ অংশ হয়ে থাকবে।
স্বত্ব © ওটিএন বাংলা - 2026 | গোপনীয়তা নীতিমালা | ব্যবহারের নীতিমালা | সম্পাদকীয় নীতিমালা | Proudly Developed by @SSB it.au