রেসিং ট্র্যাকে ভয়াবহ দুর্ঘটনা, অক্ষত অজিত কুমার
মেলবোর্ন, ২৪ আগষ্ট- ভারতের দক্ষিণী সিনেমার জনপ্রিয় অভিনেতা অজিত কুমার ইউরোপের একটি রেসিং ট্র্যাকে ভয়াবহ দুর্ঘটনার কবলে পড়েছেন। হাই-স্পিড এন্ডুরেন্স রেস চলাকালে তার রেসিং কারে যান্ত্রিক…
মেলবোর্ন, ২৩ আগষ্ট- অস্ট্রেলিয়ায় প্রথমবারের মতো কোনো স্তন্যপায়ী প্রাণীর শরীরে এইচ৫এন১ বার্ড ফ্লু ভাইরাস শনাক্ত হয়েছে। দেশটির দক্ষিণ অস্ট্রেলিয়া রাজ্যের বিচপোর্ট উপকূলীয় এলাকায় মৃত অবস্থায় পাওয়া একটি লম্বা নাকের ফার সিলের শরীরে প্রাণঘাতী এই ভাইরাসের উপস্থিতি নিশ্চিত করেছেন দেশটির কর্তৃপক্ষ।
রোববার অস্ট্রেলিয়ার কর্মকর্তারা জানান, অ্যাডিলেড শহর থেকে প্রায় ৩১০ কিলোমিটার দক্ষিণে বিচপোর্ট এলাকায় সিলটিকে মৃত অবস্থায় পাওয়া যায়। প্রাণীটির শরীরে কোনো আঘাতের চিহ্ন ছিল না। দক্ষিণ অস্ট্রেলিয়ার জলসীমায় বসবাসকারী আনুমানিক এক লাখ ফার সিলের মধ্যে এটিই প্রথম প্রাণী, যার শরীরে এইচ৫এন১ শনাক্ত হলো।
অস্ট্রেলিয়ার কৃষিমন্ত্রী জুলি কলিন্স জানিয়েছেন, সিলটির মৃত্যুর সঙ্গে আশপাশে অন্য কোনো অসুস্থ বা মৃত সামুদ্রিক স্তন্যপায়ী প্রাণীর উপস্থিতির সম্পর্ক পাওয়া যায়নি। তবে প্রাকৃতিক পরিবেশে এইচ৫এন১ ভাইরাস ছড়িয়ে পড়লে এর কারণে প্রাণহানি উল্লেখযোগ্য মাত্রায় বাড়তে পারে বলে সতর্ক করেছেন তিনি।
অস্ট্রেলিয়ায় চলতি বছরের জুনে এইচ৫এন১ ভাইরাস শনাক্ত হওয়ার পর থেকেই পরিস্থিতির অবনতি হচ্ছে। প্রথমে পরিযায়ী সামুদ্রিক পাখির মধ্যে ভাইরাসটির সংক্রমণ ধরা পড়ে। পরে এটি দেশটির বিভিন্ন স্থানীয় প্রজাতির পাখির মধ্যেও ছড়িয়ে পড়ে।
চলতি আগস্টেই অস্ট্রেলিয়ায় প্রথমবারের মতো এই ভাইরাসে ব্যাপক সামুদ্রিক পাখির মৃত্যুর ঘটনা শনাক্ত হয়। এর ফলে দেশটির বন্যপ্রাণীর মধ্যে ভাইরাসটির বিস্তার নিয়ে উদ্বেগ আরও বেড়েছে।
তবে এখন পর্যন্ত অস্ট্রেলিয়ার হাঁস-মুরগি বা কৃষি খাতে এইচ৫এন১ ভাইরাসের সংক্রমণ শনাক্ত হয়নি বলে জানিয়েছে দেশটির কেন্দ্রীয় সরকার। শুক্রবার পর্যন্ত দেশজুড়ে মোট ২৯৭টি সংক্রমণের ঘটনা নিশ্চিত করা হয়েছে।
এইচ৫এন১ সাধারণত বার্ড ফ্লু বা এভিয়ান ইনফ্লুয়েঞ্জার একটি অত্যন্ত সংক্রামক ধরন। বন্য পাখির মাধ্যমে ভাইরাসটি বিভিন্ন প্রাণীর মধ্যে ছড়িয়ে পড়তে পারে। স্তন্যপায়ী প্রাণীর শরীরে ভাইরাসটির উপস্থিতি শনাক্ত হওয়ায় অস্ট্রেলিয়ার বন্যপ্রাণী বিশেষজ্ঞ ও কর্তৃপক্ষ পরিস্থিতি নিবিড়ভাবে পর্যবেক্ষণ করছে।
অস্ট্রেলিয়াই ছিল বিশ্বের সর্বশেষ মহাদেশ, যেখানে বার্ড ফ্লুর উপস্থিতি শনাক্ত হয়। তবে ২০২৫ সালের শেষ দিকে দেশটির অধীনস্থ সাব-অ্যান্টার্কটিক হিয়ার্ড দ্বীপে ভাইরাসটি শনাক্ত হয়েছিল। স্থানীয় সংবাদমাধ্যমের তথ্য অনুযায়ী, সেখানে এই ভাইরাসের কারণে ১৩ হাজারের বেশি শিশু সিলের মৃত্যু হয়েছে।
নতুন করে দক্ষিণ অস্ট্রেলিয়ার উপকূলে ফার সিলের শরীরে এইচ৫এন১ শনাক্ত হওয়ায় অস্ট্রেলিয়ার বন্যপ্রাণী ও সামুদ্রিক পরিবেশে ভাইরাসটির বিস্তার নিয়ে নতুন করে উদ্বেগ তৈরি হয়েছে। কর্তৃপক্ষ বলছে, ভাইরাসটির গতিপ্রকৃতি এবং অন্য প্রাণীর মধ্যে সংক্রমণের সম্ভাবনা পর্যবেক্ষণ করা হচ্ছে।
স্বত্ব © ওটিএন বাংলা - 2026 | গোপনীয়তা নীতিমালা | ব্যবহারের নীতিমালা | সম্পাদকীয় নীতিমালা | Proudly Developed by @SSB it.au