রেসিং ট্র্যাকে ভয়াবহ দুর্ঘটনা, অক্ষত অজিত কুমার
মেলবোর্ন, ২৪ আগষ্ট- ভারতের দক্ষিণী সিনেমার জনপ্রিয় অভিনেতা অজিত কুমার ইউরোপের একটি রেসিং ট্র্যাকে ভয়াবহ দুর্ঘটনার কবলে পড়েছেন। হাই-স্পিড এন্ডুরেন্স রেস চলাকালে তার রেসিং কারে যান্ত্রিক…
মেলবোর্ন, ২৩ আগষ্ট- যুক্তরাষ্ট্র ও কানাডার মধ্যে তিন দিন ধরে চলা বাণিজ্য আলোচনা ব্যর্থ হওয়ার পর কানাডার বেশ কিছু পণ্যের ওপর ৫০ শতাংশ শুল্ক আরোপ করেছেন মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প। শনিবার মধ্যরাত থেকে নতুন এ শুল্ক কার্যকর হয়েছে।
যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে বাণিজ্য চুক্তি চূড়ান্ত করতে কানাডাকে স্থানীয় সময় শনিবার রাত ১২টা পর্যন্ত সময় দিয়েছিলেন ট্রাম্প। নির্ধারিত সময়ের মধ্যে সমঝোতা না হওয়ায় নতুন করে শুল্ক আরোপ করা হয়।
নতুন শুল্কের আওতায় পড়েছে কানাডার কাঠের তৈরি আইস হকি স্টিক, দুগ্ধজাত পণ্য, আসবাবপত্র, মাছ ধরার ছিপ, গাছপালা ও শাকসবজির বীজ, কাপড়, পরচুলাসহ বিভিন্ন পণ্য। এসব পণ্যের মোট বার্ষিক আমদানি মূল্য প্রায় ২ হাজার কোটি ডলার।
মার্কিন কেন্দ্রীয় পরিসংখ্যান দপ্তরের তথ্য অনুযায়ী, ২০২৫ সালে কানাডা থেকে যুক্তরাষ্ট্র প্রায় ৩৮ হাজার ২০০ কোটি ডলারের পণ্য আমদানি করেছে। সেই হিসাবে নতুন শুল্কের আওতায় পড়া পণ্যের পরিমাণ মোট আমদানির প্রায় ৫ শতাংশ। পরিমাণ তুলনামূলক কম হলেও দুই দেশের বাণিজ্য সম্পর্কে এর রাজনৈতিক ও অর্থনৈতিক প্রভাব গুরুত্বপূর্ণ বলে মনে করা হচ্ছে।
তিন দিনের আলোচনা ব্যর্থ হওয়া এবং শুল্ক কার্যকর হওয়ার ঘটনায় মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প ও কানাডার প্রধানমন্ত্রী মার্ক কার্নির মধ্যে উত্তেজনা আরও বেড়েছে। একই সঙ্গে যুক্তরাষ্ট্র, কানাডা ও মেক্সিকোর মধ্যকার উত্তর আমেরিকার মুক্ত বাণিজ্য চুক্তি নবায়নের প্রক্রিয়াও অনিশ্চয়তার মুখে পড়েছে।
শুল্ক কার্যকর হওয়ার পর এক বিবৃতিতে কার্নি বলেন, যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে বাণিজ্য সংলাপ স্থগিত করা হয়েছে এবং কানাডার আলোচকদের অটোয়ায় ফিরে আসতে বলা হয়েছে। তাঁর দাবি, কানাডার আলোচক দল বন্ধুত্বপূর্ণ মনোভাব নিয়ে আলোচনায় অংশ নিয়েছিল এবং শেষ মুহূর্ত পর্যন্ত দেশের জাতীয় স্বার্থ রক্ষায় চেষ্টা করেছে।
কানাডার প্রধানমন্ত্রী মার্ক কার্নি এর আগে প্রেসিডেন্ট ট্রাম্পের সঙ্গে বাণিজ্য আলোচনায় নিজের দেশের স্বার্থ রক্ষার প্রতিশ্রুতি দিয়েই নির্বাচনে জয়ী হন। তিনি এর আগে কানাডা ও যুক্তরাষ্ট্র উভয় দেশের কেন্দ্রীয় ব্যাংকে কাজ করেছেন। সাম্প্রতিক বিভিন্ন জনমত জরিপেও কানাডীয়দের বড় একটি অংশ ট্রাম্প প্রশাসনকে বাণিজ্য বিষয়ে ছাড় দেওয়ার বিরোধিতা করেছে।
অন্যদিকে আলোচনা ব্যর্থ হওয়ার দায় কানাডার ওপর চাপিয়েছে হোয়াইট হাউস। ট্রাম্পের বাণিজ্য প্রতিনিধি জেমিসন গ্রিয়ার সাংবাদিকদের বলেন, কানাডা বাণিজ্য চুক্তিতে স্বাক্ষর করতে রাজি না হওয়ায় আলোচনা ব্যর্থ হয়েছে।
গ্রিয়ার বলেন, যুক্তরাষ্ট্র ও কানাডার বাণিজ্য চুক্তির শর্তগুলো উভয় পক্ষের সম্মতির ভিত্তিতেই তৈরি হয়েছিল। কানাডা চুক্তিতে সই না করায় তারা যুক্তরাষ্ট্রের বাণিজ্য অংশীদার হওয়ার একটি সুযোগ হারিয়েছে বলেও মন্তব্য করেন তিনি।
তিনি আরও দাবি করেন, জি৭ জোটভুক্ত দেশগুলোর মধ্যে যুক্তরাষ্ট্র বর্তমানে দ্রুততম বর্ধনশীল অর্থনীতির একটি। তাই বাণিজ্য চুক্তিতে সই না করার সিদ্ধান্ত কানাডার জন্য ক্ষতির কারণ হতে পারে।
সূত্র : রয়টার্স
স্বত্ব © ওটিএন বাংলা - 2026 | গোপনীয়তা নীতিমালা | ব্যবহারের নীতিমালা | সম্পাদকীয় নীতিমালা | Proudly Developed by @SSB it.au