পশ্চিমবঙ্গে সরকারি অনুমতি ছাড়া পশু জবাই নিষিদ্ধ
মেলবোর্ন, ১৪ মে- ভারতের পশ্চিমবঙ্গ রাজ্যে প্রকাশ্যে পশু জবাই সম্পূর্ণভাবে নিষিদ্ধ ঘোষণা করা হয়েছে। গরু, মহিষসহ বিভিন্ন গবাদিপশু জবাইয়ের ক্ষেত্রে নতুন করে কঠোর বিধিনিষেধ আরোপ…
মেলবোর্ন, ১৪ মে- তাইওয়ান প্রশ্নটি ঠিকভাবে সামলানো না গেলে চীন ও যুক্তরাষ্ট্র সরাসরি সংঘাতে জড়িয়ে পড়তে পারে বলে সতর্ক করেছেন চীনের প্রেসিডেন্ট সি চিন পিং। তিনি বলেন, এ ইস্যু দুই দেশের দ্বিপক্ষীয় সম্পর্কের জন্য অত্যন্ত সংবেদনশীল এবং সঠিকভাবে পরিচালনা না হলে তা ভয়াবহ পরিণতির দিকে যেতে পারে।
চীনের রাষ্ট্রীয় গণমাধ্যমের বরাতে জানা গেছে, বৃহস্পতিবার বেইজিংয়ের গ্রেট হল অব দ্য পিপল-এ অনুষ্ঠিত দ্বিপক্ষীয় বৈঠকে যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প-এর সঙ্গে আলোচনার সময় সি চিন পিং এই মন্তব্য করেন। বৈঠকে তিনি বলেন, তাইওয়ান প্রশ্ন চীন-যুক্তরাষ্ট্র সম্পর্কের একটি মৌলিক ও গুরুত্বপূর্ণ ইস্যু। এটি সঠিকভাবে সামলানো না গেলে দুই দেশের মধ্যে সংঘাতের ঝুঁকি তৈরি হবে এবং সম্পর্ক অত্যন্ত বিপজ্জনক পরিস্থিতির দিকে যেতে পারে।
তাইওয়ানকে নিজেদের ভূখণ্ড হিসেবে দাবি করে আসছে চীন। অন্যদিকে, স্বশাসিত এই দ্বীপের প্রধান অস্ত্র সরবরাহকারী ও কূটনৈতিক সমর্থকদের মধ্যে অন্যতম যুক্তরাষ্ট্র। দীর্ঘদিন ধরেই এই ইস্যু চীন ও যুক্তরাষ্ট্রের সম্পর্কের বড় উত্তেজনার কারণ হিসেবে বিবেচিত হয়ে আসছে।
দুই দিনের শীর্ষ সম্মেলনের শুরুতে সি চিন পিং যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে সাম্প্রতিক বাণিজ্য আলোচনায় অগ্রগতির প্রশংসা করেন। তিনি বলেন, সহযোগিতা হলে দুই পক্ষই লাভবান হয়, আর বিরোধ তৈরি হলে উভয়পক্ষই ক্ষতির মুখে পড়ে।
বৈঠকে উপস্থিত ছিলেন যুক্তরাষ্ট্রের শীর্ষ ব্যবসায়ী ও প্রযুক্তি খাতের কয়েকজন পরিচিত মুখও। তাদের মধ্যে টিম কুক, ইলন মাস্ক এবং জেনসেন হুয়াং রয়েছেন বলে জানা গেছে। আলোচনার শুরুতে মার্কিন শিল্প খাতের জন্য চীনকে আরও উন্মুক্ত করার আহ্বান জানান ডোনাল্ড ট্রাম্প।
বৈঠকে ট্রাম্প বলেন, সি চিন পিং একজন শক্তিশালী নেতা। তিনি আরও দাবি করেন, এবারের শীর্ষ বৈঠক ইতিহাসের অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ হতে পারে এবং চীন-যুক্তরাষ্ট্র সম্পর্ক ভবিষ্যতে আরও উন্নত হবে।
আলোচনায় ইরান ইস্যুও উঠে আসে। ডোনাল্ড ট্রাম্প সি চিন পিংয়ের প্রতি আহ্বান জানান, তেহরানকে সংঘাত নিরসনে যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে সমঝোতায় আনতে ভূমিকা রাখতে। তবে বিশ্লেষকদের মতে, এ বিষয়ে চীনের অবস্থান কী হবে, তা নিয়ে অনিশ্চয়তা রয়েছে, বিশেষ করে ইরানের প্রতি বেইজিংয়ের কৌশলগত সম্পর্ক বিবেচনায়।
সূত্রঃ রয়টার্স
স্বত্ব © ওটিএন বাংলা - 2026 | গোপনীয়তা নীতিমালা | ব্যবহারের নীতিমালা | সম্পাদকীয় নীতিমালা | Proudly Developed by @SSB it.au