পশ্চিমবঙ্গে সরকারি অনুমতি ছাড়া পশু জবাই নিষিদ্ধ
মেলবোর্ন, ১৪ মে- ভারতের পশ্চিমবঙ্গ রাজ্যে প্রকাশ্যে পশু জবাই সম্পূর্ণভাবে নিষিদ্ধ ঘোষণা করা হয়েছে। গরু, মহিষসহ বিভিন্ন গবাদিপশু জবাইয়ের ক্ষেত্রে নতুন করে কঠোর বিধিনিষেধ আরোপ…
মেলবোর্ন, ১৪ মে- মধ্যপ্রাচ্যের দেশ ওমানে একটি গাড়ির ভেতর থেকে চট্টগ্রামের রাঙ্গুনিয়া উপজেলার চার প্রবাসী ভাইয়ের লাশ উদ্ধার করা হয়েছে। গতকাল বুধবার রাতে দেশটির মুলাদ্দাহ এলাকায় পার্ক করা একটি গাড়ির ভেতর থেকে তাদের অচেতন অবস্থায় পাওয়া যায়। পরে পুলিশ দরজা খুলে চারজনের মৃত্যু নিশ্চিত করে।
নিহত চার ভাই হলেন মুহাম্মদ রাশেদ, মুহাম্মদ সাহেদ, মুহাম্মদ সিরাজ এবং মুহাম্মদ শহিদ। তাদের বাড়ি রাঙ্গুনিয়া উপজেলার লালানগর ইউনিয়নের বন্দারাজার পাড়া এলাকায়। একসঙ্গে চার ভাইয়ের মৃত্যুর ঘটনায় পরিবার ও এলাকায় শোকের ছায়া নেমে এসেছে।
পরিবার ও স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, ভাইদের মধ্যে দুজনের আগামী শুক্রবার দেশে ফেরার কথা ছিল। সে কারণে তারা একসঙ্গে একটি গাড়িতে করে কেনাকাটার উদ্দেশ্যে বের হন। ধারণা করা হচ্ছে, পথে গাড়ির ভেতর কোনো কারণে তারা অসুস্থ হয়ে পড়েন।
চট্টগ্রাম সমিতি ওমানের সভাপতি মো. ইয়াসিন চৌধুরী জানান, গতকাল সন্ধ্যায় চার ভাই বারকা এলাকায় অবস্থান করছিলেন। সেখান থেকে তারা মুলাদ্দাহ এলাকার দিকে রওনা দেন। পরে মুলাদ্দাহ এলাকায় একটি ক্লিনিকের সামনে গাড়িটি পার্ক করা অবস্থায় পাওয়া যায়। সেখান থেকেই তাদের লাশ উদ্ধার করা হয়।
তিনি আরও জানান, ঘটনার কিছু সময় আগে রাত আটটার দিকে ভাইদের একজন বারকা এলাকায় থাকা এক স্বজনকে ভয়েস মেসেজ পাঠান। সেখানে তিনি জানান, তারা খুব অসুস্থ হয়ে পড়েছেন এবং গাড়ি থেকে বের হতে পারছেন না। একই সঙ্গে অবস্থানের লোকেশনও পাঠান। এর কিছু সময় পরই স্থানীয় দুই প্রবাসী বাংলাদেশি গাড়ির ভেতরে চারজনকে অচেতন অবস্থায় দেখতে পেয়ে পুলিশকে খবর দেন। পরে পুলিশ এসে তাদের উদ্ধার করে মৃত ঘোষণা করে।
প্রাথমিকভাবে ধারণা করা হচ্ছে, গাড়ির ভেতরে কোনো বিষাক্ত গ্যাস জমে তাদের মৃত্যু হয়ে থাকতে পারে। তবে বিষয়টি নিশ্চিত হতে ময়নাতদন্তের প্রতিবেদন অপেক্ষা করা হচ্ছে। নিহতদের মরদেহ বর্তমানে ওমানের একটি হাসপাতালের মর্গে রাখা হয়েছে।
চট্টগ্রাম সমিতি ওমানের সভাপতি আরও বলেন, ধারণা করা হচ্ছে, অসুস্থ বোধ করায় চিকিৎসা নেওয়ার জন্যই তারা ক্লিনিকের সামনে গাড়িটি পার্ক করেছিলেন। বিষয়টি আমরা ঘনিষ্ঠভাবে দেখছি এবং পরিবারের সঙ্গে নিয়মিত যোগাযোগ রাখা হচ্ছে।
এদিকে, লালানগর ইউনিয়ন পরিষদের ৫ নম্বর ওয়ার্ডের সদস্য আমির হোসেন বলেন, একই পরিবারের চার ভাইয়ের এমন মৃত্যুর খবর এলাকায় গভীর শোকের সৃষ্টি করেছে। মরদেহ দেশে আনার প্রক্রিয়া চলছে।
রাঙ্গুনিয়া উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা মো. নাজমুল হাসান জানান, এ বিষয়ে এখনো উপজেলা প্রশাসনকে আনুষ্ঠানিকভাবে জানানো হয়নি। তবে ঘটনার বিষয়ে খোঁজ নেওয়া হচ্ছে এবং প্রয়োজনীয় সহায়তা দেওয়া হবে।
স্বত্ব © ওটিএন বাংলা - 2026 | গোপনীয়তা নীতিমালা | ব্যবহারের নীতিমালা | সম্পাদকীয় নীতিমালা | Proudly Developed by @SSB it.au