সংস্কার ছাড়া নিম্ন প্রবৃদ্ধির ফাঁদ থেকে বের হতে পারবে না বাংলাদেশ
প্রয়োজনীয় অর্থনৈতিক ও কাঠামোগত সংস্কার না হলে বাংলাদেশ দীর্ঘদিন নিম্ন প্রবৃদ্ধি, উচ্চ মূল্যস্ফীতি ও কর্মসংস্থানের সংকটে আটকে থাকতে পারে বলে সতর্ক করেছেন অর্থনীতিবিদ ড. ফাহমিদা…
মেলবোর্ন, 20 আগষ্ট- সাবেক প্রধান বিচারপতি এ বি এম খায়রুল হক কারাগার থেকে মুক্তি পেয়েছেন। বুধবার (১৯ আগস্ট) সন্ধ্যায় কেরানীগঞ্জের বিশেষ কারাগার থেকে তিনি মুক্তি পান। কারা অধিদপ্তরের সূত্র বিষয়টি নিশ্চিত করেছে।
হত্যাচেষ্টা ও বিস্ফোরকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ আইনে রাজধানীর বনানী থানায় করা একটি মামলায় হাইকোর্টের দেওয়া অন্তর্বর্তী জামিনের পর তাকে কারাগার থেকে মুক্তি দেওয়া হয়।
এর আগে ওই মামলাসহ মোট নয়টি মামলায় তাকে গ্রেপ্তার দেখানো হয়। পৃথক আট মামলায় জামিন পাওয়ার পর বনানী থানায় করা মামলায় তাকে গ্রেপ্তার দেখানোর জন্য গত ২ জুলাই আদালতে আবেদন করেন মামলার তদন্ত কর্মকর্তা। পরে ৮ জুলাই তাকে ওই মামলায় গ্রেপ্তার দেখানো হয়।
গত ২৭ জুলাই নিম্ন আদালত খায়রুল হকের জামিন আবেদন নামঞ্জুর করেন। এরপর তিনি হাইকোর্টে জামিন চেয়ে আবেদন করেন। ৯ আগস্ট তার পক্ষে জামিনের আবেদন করা হয়। শুনানি শেষে ১০ আগস্ট হাইকোর্ট তাকে অন্তর্বর্তী জামিন দেন। আদালতের ওই আদেশের পর প্রয়োজনীয় আইনি প্রক্রিয়া শেষে বুধবার তিনি কারাগার থেকে মুক্তি পান।
মামলার এজাহার সূত্রে জানা যায়, ২০২৪ সালের ৪ আগস্ট রাজধানীর মহাখালী এলাকায় সেতু ভবনের সামনে আন্দোলনকারীরা অবস্থান করছিলেন। সেখান থেকে তারা শাহবাগের দিকে যাওয়ার সময় তাদের ওপর হামলা, গুলিবর্ষণ ও ককটেল নিক্ষেপের ঘটনা ঘটে। এতে উজ্জ্বল মিয়াসহ ২৫ থেকে ৩০ জন আহত হন।
এ ঘটনায় উজ্জ্বল মিয়া বাদী হয়ে বনানী থানায় হত্যাচেষ্টা ও বিস্ফোরকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ আইনে মামলা করেন। মামলায় এ বি এম খায়রুল হকসহ অন্যদের আসামি করা হয়।
এ বি এম খায়রুল হক ২০১০ সালের ৩০ সেপ্টেম্বর বাংলাদেশের ২১তম প্রধান বিচারপতি হিসেবে দায়িত্ব নেন। ২০১১ সালের মে মাসে অবসরে যান তিনি।
স্বত্ব © ওটিএন বাংলা - 2026 | গোপনীয়তা নীতিমালা | ব্যবহারের নীতিমালা | সম্পাদকীয় নীতিমালা | Proudly Developed by @SSB it.au