‘মেয়ে হয়ে কেন ছেলেদের কোচ হতে পারবো না’
মেয়েদের কুস্তির মঞ্চে প্রতিযোগী হিসেবে দীর্ঘদিন লড়েছেন শিরিন সুলতানা। খেলোয়াড়ি জীবন শেষ করার পর ছয় বছর ধরে কোচিংয়ের সঙ্গে যুক্ত তিনি। এবার নতুন পরিচয়ে আলোচনায়…
মেলবোর্ন, ২৩ অক্টোবর- সাংবাদিক দম্পতি সাগর সরওয়ার ও মেহেরুন রুনি হত্যা মামলার তদন্ত শেষ করতে গঠিত উচ্চ ক্ষমতাসম্পন্ন টাস্কফোর্সকে আরও ছয় মাস সময় দিয়েছে হাইকোর্ট। তবে আদালত স্পষ্ট জানিয়ে দিয়েছে, এটি তদন্তের জন্য দেওয়া ‘শেষবারের মতো’ সময় বৃদ্ধি।
বৃহস্পতিবার (২৩ অক্টোবর) রাষ্ট্রপক্ষের সময় আবেদন শুনে বিচারপতি ফাতেমা নজীব ও বিচারপতি ফাতেমা আনোয়ারের সমন্বয়ে গঠিত হাইকোর্ট বেঞ্চ এই আদেশ দেন।
রাষ্ট্রপক্ষে শুনানিতে ছিলেন অতিরিক্ত অ্যাটর্নি জেনারেল আরশাদুর রউফ, তার সঙ্গে ডেপুটি অ্যাটর্নি জেনারেল মাহমুদ সজিব ভূঁইয়া ও সহকারী অ্যাটর্নি জেনারেল মুশফিকুর রহিম। রিট আবেদনকারী পক্ষে যুক্তি উপস্থাপন করেন অ্যাডভোকেট মনজিল মোরশেদ ও শিশির মনির।
এর আগেও একই মামলার তদন্তে গত ২২ এপ্রিল হাইকোর্ট ছয় মাস সময় বাড়িয়েছিল। তারও আগে ২০২৩ সালের ৩০ সেপ্টেম্বর বিভিন্ন সংস্থার অভিজ্ঞদের নিয়ে একটি উচ্চ ক্ষমতাসম্পন্ন টাস্কফোর্স গঠন ও ছয় মাসের মধ্যে তদন্ত প্রতিবেদন দাখিলের নির্দেশ দেওয়া হয়।
২০১২ সালের ১১ ফেব্রুয়ারি পশ্চিম রাজাবাজারে ভাড়া বাসায় খুন হন সাগর ও রুনি। সেদিন বাসায় ছিলেন তাদের সাড়ে চার বছরের ছেলে মাহির সরওয়ার মেঘ। সাগর তখন মাছরাঙা টিভি ও রুনি এটিএন বাংলায় কর্মরত ছিলেন। ঘটনার পর রুনির ভাই নওশের আলম শেরেবাংলা নগর থানায় মামলা করেন।
এই মামলার আসামি হিসেবে আটজনকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে—রফিকুল ইসলাম, বকুল মিয়া, মাসুম মিন্টু, কামরুল ইসলাম অরুণ, আবু সাঈদ এবং নিরাপত্তাকর্মী পলাশ রুদ্র পাল ও এনায়েত আহমেদ। তাদের বন্ধু তানভীর রহমান খানও আসামির তালিকায় আছেন। তানভীর ও পলাশ বর্তমানে জামিনে, বাকিরা কারাগারে রয়েছেন।
উল্লেখযোগ্য বিষয় হলো, মামলার তদন্ত প্রতিবেদনের তারিখ এখন পর্যন্ত ১২১ বার পিছিয়েছে। পরবর্তী দাখিলের তারিখ নির্ধারণ করা হয়েছে ৩০ নভেম্বর।
স্বত্ব © ওটিএন বাংলা - 2026 | গোপনীয়তা নীতিমালা | ব্যবহারের নীতিমালা | সম্পাদকীয় নীতিমালা | Proudly Developed by @SSB it.au