২০০ টাকার লোভে অক্সিজেন মাস্ক বিচ্ছিন্ন, শ্বাসকষ্টে প্রাণ গেল দিপালী সিকদারের
মেলবোর্ন, ১৪ মে- মাত্র ২০০ টাকার বকশিশকে কেন্দ্র করে বরিশাল শেরেবাংলা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে এক মুমূর্ষু রোগীর অক্সিজেন মাস্ক খুলে দেওয়ার অভিযোগ উঠেছে এক হাসপাতাল…
মেলবোর্ন, ১৪ মে- যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প এবং চীনের প্রেসিডেন্ট শি জিনপিং–এর বহুল আলোচিত বৈঠক শুরু হয়েছে। বৃহস্পতিবার সকালে বেইজিংয়ের গ্রেট হল অব দ্য পিপল–এ বিশ্বের দুই বৃহৎ অর্থনীতির দেশের শীর্ষ নেতারা আনুষ্ঠানিক আলোচনায় বসেন।
আন্তর্জাতিক সংবাদমাধ্যমের তথ্য অনুযায়ী, গ্রেট হল অব দ্য পিপলের বিশাল কনফারেন্স কক্ষে এ বৈঠক অনুষ্ঠিত হচ্ছে। বৈশ্বিক বাণিজ্য, ভূরাজনীতি, নিরাপত্তা, প্রযুক্তি ও অর্থনৈতিক সম্পর্ক নিয়ে দুই দেশের মধ্যে চলমান টানাপোড়েনের প্রেক্ষাপটে এই বৈঠককে অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ হিসেবে দেখা হচ্ছে।
চীনের রাষ্ট্রীয় সংবাদমাধ্যম সিসিটিভি জানিয়েছে, প্রেসিডেন্ট ট্রাম্পের সঙ্গে মার্কিন প্রশাসনের শীর্ষ পর্যায়ের কয়েকজন কর্মকর্তা বৈঠকে অংশ নিয়েছেন। তাদের মধ্যে রয়েছেন যুক্তরাষ্ট্রের পররাষ্ট্রমন্ত্রী মার্কো রুবিও, প্রতিরক্ষামন্ত্রী পিট হেগসেথ, বাণিজ্য প্রতিনিধি জেমিসন গ্রিয়ার এবং বাণিজ্যমন্ত্রী স্কট বেসেন্ট।
তবে চীনা প্রেসিডেন্ট শি জিনপিংয়ের সঙ্গে বৈঠকে কারা উপস্থিত রয়েছেন, সে বিষয়ে বিস্তারিত কোনো তালিকা প্রকাশ করা হয়নি।
বৈঠকের শুরুতেই ট্রাম্প শি জিনপিংকে উদ্দেশ করে বলেন, তিনি বিশ্বের সেরা ব্যবসায়ী প্রতিনিধিদের নিয়ে চীন সফরে এসেছেন। দুই দেশের সম্পর্ক নিয়ে ইতিবাচক মন্তব্য করে তিনি বলেন, অতীতে যখনই কোনো সমস্যা তৈরি হয়েছে, তখন দুই নেতা সরাসরি যোগাযোগের মাধ্যমে দ্রুত সমাধানে পৌঁছেছেন।
ট্রাম্প বলেন, “আমরা এক ছিলাম। যখনই কোনো সমস্যা হয়েছে আমরা সমাধান করেছি। আমি আপনাকে কল দিতাম, আপনি আমাকে কল দিতেন। মানুষ জানে না, আমাদের মধ্যে কোনো সমস্যা হলে আমরা খুব দ্রুত সময়ের মধ্যে সেটির সমাধান করেছি।”
নিজের সফরসঙ্গীদের প্রসঙ্গে তিনি বলেন, “আজকের সেরা ব্যক্তিরা এখানে এসেছেন শুধুমাত্র আপনাকে সম্মান জানাতে।”
এই বৈঠককে বিশ্বের সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ সম্মেলনগুলোর একটি হিসেবে উল্লেখ করে ট্রাম্প বলেন, আলোচনার ফল ইতিবাচক হবে বলে তিনি আশাবাদী। একই সঙ্গে শি জিনপিংয়ের সঙ্গে ব্যক্তিগত সম্পর্ক নিয়েও মন্তব্য করেন মার্কিন প্রেসিডেন্ট।
তিনি বলেন, “আপনার সঙ্গে দেখা হওয়া, আপনার বন্ধু হওয়ার আমার জন্য গর্বের। যুক্তরাষ্ট্র ও চীনের সম্পর্ক এর আগে কখনো এত ভালো হয়নি।”
বিশ্লেষকদের মতে, যুক্তরাষ্ট্র ও চীনের মধ্যে বাণিজ্য যুদ্ধ, প্রযুক্তিগত প্রতিযোগিতা, তাইওয়ান ইস্যু, দক্ষিণ চীন সাগরের উত্তেজনা এবং বৈশ্বিক অর্থনৈতিক অনিশ্চয়তার মধ্যে এই বৈঠক অত্যন্ত তাৎপর্যপূর্ণ। দুই দেশের শীর্ষ নেতাদের এই আলোচনার ফলাফল আন্তর্জাতিক রাজনীতি ও বৈশ্বিক অর্থনীতিতে বড় প্রভাব ফেলতে পারে বলে ধারণা করা হচ্ছে।
সূত্র: বিবিসি
স্বত্ব © ওটিএন বাংলা - 2026 | গোপনীয়তা নীতিমালা | ব্যবহারের নীতিমালা | সম্পাদকীয় নীতিমালা | Proudly Developed by @SSB it.au