২০০ টাকার লোভে অক্সিজেন মাস্ক বিচ্ছিন্ন, শ্বাসকষ্টে প্রাণ গেল দিপালী সিকদারের
মেলবোর্ন, ১৪ মে- মাত্র ২০০ টাকার বকশিশকে কেন্দ্র করে বরিশাল শেরেবাংলা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে এক মুমূর্ষু রোগীর অক্সিজেন মাস্ক খুলে দেওয়ার অভিযোগ উঠেছে এক হাসপাতাল…
মেলবোর্ন, ১৪ মে- বাংলাদেশ বিমান বাহিনীর পাইলটদের জন্য পাকিস্তানে উন্নত প্রশিক্ষণের প্রস্তাব দিয়েছে পাকিস্তান বিমান বাহিনীর একটি প্রতিনিধি দল। একই সঙ্গে বাংলাদেশ বিমান বাহিনীকে চীনা প্রযুক্তির জেএফ-১৭ যুদ্ধবিমানের একটি ফ্লাইট সিমুলেটর উপহার দিয়েছে তারা। বর্তমানে পাঁচ দিনের সফরে ঢাকায় অবস্থান করছে পাকিস্তান বিমান বাহিনীর প্রতিনিধিদল।
প্রতিনিধিদলটির নেতৃত্ব দিচ্ছেন পাকিস্তান বিমান বাহিনীর এয়ার ভাইস মার্শাল আওরঙ্গজেব আহমেদ। তিনি পাকিস্তান বিমান বাহিনীর অপারেশনাল ডেপুটি চিফ, স্ট্র্যাটেজিক কমান্ডের কমান্ডার এবং জনসংযোগ বিভাগের মহাপরিচালকের দায়িত্বও পালন করছেন।
গত ১০ মে ঢাকায় বাংলাদেশ ও পাকিস্তান বিমান বাহিনীর কর্মকর্তাদের মধ্যে পাঁচ দিনের এয়ার স্টাফ পর্যায়ের বৈঠক শুরু হয়। সংশ্লিষ্ট সূত্রগুলোর তথ্য অনুযায়ী, বৈঠকের প্রথম দিনেই বাংলাদেশের পাইলটদের পাকিস্তানের পাঞ্জাব প্রদেশের সারগোধায় অবস্থিত মুশাফ বিমানঘাঁটি এবং পাকিস্তান অ্যারোনটিক্যাল কমপ্লেক্সে উন্নত প্রশিক্ষণ দেওয়ার বিষয়ে আলোচনা হয়।
সূত্রগুলো জানিয়েছে, পাকিস্তান বিমান বাহিনীর কর্মকর্তারা বাংলাদেশ বিমান বাহিনীর কর্মকর্তাদের কাছে জেএফ-১৭ যুদ্ধবিমানের বহুমুখী যুদ্ধ সক্ষমতার বিভিন্ন দিক তুলে ধরেন। তারা দাবি করেন, এই যুদ্ধবিমান আধুনিক প্রযুক্তিনির্ভর এবং সাম্প্রতিক ভারত-পাকিস্তান সংঘাতের অভিজ্ঞতায় এটি ভারতের ব্যবহৃত রাফাল যুদ্ধবিমানের তুলনায় কার্যকর সক্ষমতা প্রদর্শন করেছে।
সফরের অংশ হিসেবে গত ১২ মে ঢাকার বনানীতে অবস্থিত হোটেল শেরাটন–এর গার্ডেন কিচেন রেস্তোরাঁয় সফররত প্রতিনিধিদলের সম্মানে নৈশভোজের আয়োজন করে বাংলাদেশ বিমান বাহিনী। সেখানে পাকিস্তান প্রতিনিধি দলের আরও কয়েকজন জ্যেষ্ঠ কর্মকর্তা উপস্থিত ছিলেন। তাদের মধ্যে ছিলেন এয়ার কমোডর শাহ খালিদ, এয়ার কমোডর আব্দুল গফুর বাজদুর, গ্রুপ ক্যাপ্টেন মাহমুদ আলী খান এবং উইং কমান্ডার হাসান তারিক আজিজ।
একাধিক আনুষ্ঠানিক ও অনানুষ্ঠানিক বৈঠকে বাংলাদেশি পাইলটদের পাকিস্তানে উন্নত প্রশিক্ষণ দেওয়ার বিষয়ে দুই পক্ষের মধ্যে একটি সমঝোতা তৈরি হয়েছে বলে জানা গেছে।
প্রস্তাবিত প্রশিক্ষণ কার্যক্রমে যেসব বিষয় অন্তর্ভুক্ত থাকবে, তার মধ্যে রয়েছে দূরপাল্লার আকাশযুদ্ধ কৌশল, সুপারসনিক ইন্টারসেপশন প্রশিক্ষণ, বহুমুখী আক্রমণ সমন্বয়, ইলেকট্রনিক যুদ্ধ পরিস্থিতিতে টিকে থাকার কৌশল, সিমুলেটরের মাধ্যমে জেএফ-১৭ ব্লক-৩ মিশনের মহড়া, অ্যাভিওনিক্স, রাডার ও ইঞ্জিন রক্ষণাবেক্ষণ প্রশিক্ষণ এবং সামুদ্রিক পরিবেশে উন্নত অস্ত্র ব্যবহারের কৌশল।
সংশ্লিষ্ট সূত্রগুলো আরও জানিয়েছে, এই সমঝোতার ভিত্তিতে পাকিস্তান থেকে চীনা প্রযুক্তিনির্ভর জেএফ-১৭ যুদ্ধবিমান সংগ্রহের আলোচনা এখন চূড়ান্ত পর্যায়ে রয়েছে।
সম্প্রতি যুক্তরাষ্ট্র সফর শেষে দেশে ফিরে সেনাপ্রধান ওয়াকার-উজ-জামান বহুমুখী যুদ্ধবিমানের প্রয়োজনীয়তার কথা উল্লেখ করেছিলেন। বিশ্লেষকদের মতে, বাংলাদেশের সম্ভাব্য জেএফ-১৭ ক্রয় কেবল সামরিক সক্ষমতা বৃদ্ধির বিষয় নয়, বরং এর সঙ্গে বৃহত্তর আঞ্চলিক ও ভূরাজনৈতিক কৌশলও জড়িত রয়েছে।
সূত্রঃ নর্থইস্ট নিউজ
স্বত্ব © ওটিএন বাংলা - 2026 | গোপনীয়তা নীতিমালা | ব্যবহারের নীতিমালা | সম্পাদকীয় নীতিমালা | Proudly Developed by @SSB it.au