আরজি কর কাণ্ডে তিন আইপিএস কর্মকর্তা সাময়িক বরখাস্ত
মেলবোর্ন, ১৫ মে- আরজি কর মেডিক্যাল কলেজে তরুণী চিকিৎসক ধর্ষণ ও হত্যাকাণ্ডের তদন্তে গাফিলতির অভিযোগে পশ্চিমবঙ্গ সরকারের তিন জ্যেষ্ঠ আইপিএস কর্মকর্তাকে সাময়িক বরখাস্ত করা হয়েছে। একই…
মেলবোর্ন, ১৫ মে- তুর্কি হরর ফ্র্যাঞ্চাইজি ‘সিজ্জিন’ আবারও আলোচনায়। সিরিজের নবম কিস্তি ‘সিজ্জিন ৯’ আজ শুক্রবার একযোগে আন্তর্জাতিকভাবে মুক্তি পাচ্ছে। একই দিনে বাংলাদেশেও দর্শকরা বড় পর্দায় সিনেমাটি দেখতে পারবেন। রাজধানীর স্টার সিনেপ্লেক্সে সিনেমাটি প্রদর্শনের বিষয়টি নিশ্চিত করেছে মাল্টিপ্লেক্স কর্তৃপক্ষ।
২০১৪ সালে শুরু হওয়া ‘সিজ্জিন’ সিরিজটি তুরস্কের অন্যতম জনপ্রিয় সুপারন্যাচারাল হরর ফ্র্যাঞ্চাইজি হিসেবে পরিচিত। পরিচালক আলপার মেস্তচি এই সিরিজের মূল স্রষ্টা, যিনি দীর্ঘদিন ধরে জিন, কালোজাদু, পারিবারিক অভিশাপ এবং লোকবিশ্বাসভিত্তিক ভয়ের গল্প নির্মাণ করে আসছেন। পশ্চিমা ধাঁচের জাম্প স্কেয়ারের বদলে বাস্তবধর্মী পরিবেশ এবং আঞ্চলিক বিশ্বাসের ওপর ভিত্তি করে তৈরি এই সিরিজ ধীরে ধীরে আন্তর্জাতিক দর্শকের কাছেও পরিচিতি পায়।
নতুন সিনেমা ‘সিজ্জিন ৯’ এর গল্পও সেই পরিচিত অন্ধকার জগতকে ঘিরে। কাহিনির কেন্দ্রে রয়েছে একটি পুরোনো পারিবারিক অভিশাপ, যা বহু বছর পর আবার সক্রিয় হয়ে ওঠে। এক মা নিজের সন্তানকে রক্ষা করতে গিয়ে নিষিদ্ধ এক কালোজাদুর আশ্রয় নেন। কিন্তু সেই সিদ্ধান্তই ধীরে ধীরে এক ভয়ংকর অতিপ্রাকৃত ঘটনার দরজা খুলে দেয়।
গল্পে দেখা যায়, প্রধান চরিত্র কেমাল তার বাবার অতীত সম্পর্কে কিছুই জানে না। একসময় সে বাবার পুরোনো বাড়িতে ফিরে গেলে সেখানে লুকিয়ে থাকা ভয়াবহ পারিবারিক সত্য, জিন এবং অভিশপ্ত ঘটনার মুখোমুখি হয়। এরপরই শুরু হয় ধারাবাহিক আতঙ্ক, অস্বাভাবিক ঘটনা এবং অতিপ্রাকৃত শক্তির প্রভাব।
সিরিজজুড়ে যেমন ছিল জিন, রুকইয়া, কালোজাদু এবং পারিবারিক গোপন পাপের বিষয়, নতুন কিস্তিতেও সেই ধারা অব্যাহত রাখা হয়েছে। নির্মাতাদের দাবি, এটি আগের যেকোনো পর্বের তুলনায় আরও অন্ধকার ও ভয়ংকর অভিজ্ঞতা দেবে।
‘সিজ্জিন’ সিরিজের জনপ্রিয়তার অন্যতম কারণ হলো এর লোকভিত্তিক ভয়। মধ্যপ্রাচ্য এবং দক্ষিণ এশিয়ার দর্শকদের মধ্যে এই ধরনের গল্প বিশেষভাবে সাড়া ফেলে, কারণ এতে ধর্মীয় ও সামাজিক বিশ্বাসের উপাদান সরাসরি যুক্ত থাকে। কম বাজেটে নির্মিত হলেও সিরিজটি তুরস্কের বক্স অফিসে ধারাবাহিকভাবে সফল হয়েছে এবং দীর্ঘদিন ধরে চলমান হরর ফ্র্যাঞ্চাইজিগুলোর একটি হয়ে উঠেছে।
নতুন সিনেমাটি ঘিরেও দর্শকদের মধ্যে আগ্রহ তৈরি হয়েছে। অনলাইন প্ল্যাটফর্মগুলোতে ট্রেলার প্রকাশের পর থেকেই আলোচনা চলছে। সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে অনেকেই মন্তব্য করছেন, এটি সিরিজের সবচেয়ে ভয়ংকর কিস্তি হতে পারে।
বাংলাদেশে হরর ঘরানার দর্শকদের জন্য এটি একটি নতুন অভিজ্ঞতা হতে যাচ্ছে বলে মনে করছেন সিনেমা সংশ্লিষ্টরা।
স্বত্ব © ওটিএন বাংলা - 2026 | গোপনীয়তা নীতিমালা | ব্যবহারের নীতিমালা | সম্পাদকীয় নীতিমালা | Proudly Developed by @SSB it.au