পশ্চিমবঙ্গে মাংস বিক্রি নিয়ে নতুন নির্দেশিকায় কী আছে?
মেলবোর্ন, ১৫ মে- পশ্চিমবঙ্গে গবাদি পশুর মাংস বিক্রি ও জবাই নিয়ে ১৯৫০ সালের প্রাণীসম্পদ সুরক্ষা আইন নতুন করে কঠোরভাবে কার্যকর করার নির্দেশ দিয়েছে বিজেপি নেতৃত্বাধীন…
মেলবোর্ন, ১৫ মে- আরজি কর মেডিক্যাল কলেজে তরুণী চিকিৎসক ধর্ষণ ও হত্যাকাণ্ডের তদন্তে গাফিলতির অভিযোগে পশ্চিমবঙ্গ সরকারের তিন জ্যেষ্ঠ আইপিএস কর্মকর্তাকে সাময়িক বরখাস্ত করা হয়েছে। একই সঙ্গে ঘটনার সময়কার মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়–এর ভূমিকাও তদন্তের আওতায় আনার ঘোষণা দিয়েছেন বর্তমান মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারী।
শুক্রবার নবান্নে সাংবাদিকদের সামনে এ ঘোষণা দেন শুভেন্দু অধিকারী। তিনি জানান, ২০২৪ সালের আগস্টে সংঘটিত আরজি কর কাণ্ডের মামলার ফাইল নতুন করে খোলা হচ্ছে এবং সে সময় দায়িত্বে থাকা তিন পুলিশ কর্মকর্তার বিরুদ্ধে বিভাগীয় তদন্ত শুরু হবে। আপাতত বরখাস্ত করা হয়েছে তৎকালীন কলকাতা পুলিশ কমিশনার বিনীত গোয়েল, তৎকালীন ডিসি (সেন্ট্রাল) ইন্দিরা মুখোপাধ্যায় এবং ডিসি (নর্থ) অভিষেক গুপ্ত–কে।
মুখ্যমন্ত্রী বলেন, স্বরাষ্ট্র দপ্তরের দায়িত্ব নেওয়ার পর তিনি প্রধান সচিব ও স্বরাষ্ট্র সচিবের কাছে ওই ঘটনার তদন্ত পরিচালনা এবং পুলিশের ভূমিকা নিয়ে লিখিত ব্যাখ্যা চেয়েছিলেন। তথ্য পর্যালোচনার পর প্রশাসনিক সিদ্ধান্ত হিসেবে তিন কর্মকর্তাকে বরখাস্ত করা হয়েছে।
শুভেন্দু অধিকারী অভিযোগ করেন, ঘটনার সময় যথাযথভাবে এফআইআর গ্রহণ ও তদন্তে বড় ধরনের গাফিলতি ছিল। তিনি বলেন, বিভিন্ন সংবাদমাধ্যমের প্রতিবেদন থেকে জানা গেছে, নির্যাতিতার পরিবারকে রাজ্য সরকারের পক্ষ থেকে অর্থ দেওয়ার চেষ্টা করা হয়েছিল। এই অভিযোগেরও তদন্ত হবে।
তিনি আরও জানান, ঘটনার সময় সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তাদের ফোনকল, হোয়াটসঅ্যাপ চ্যাট এবং কার সঙ্গে যোগাযোগ হয়েছিল, তা খতিয়ে দেখা হবে। সাবেক মুখ্যমন্ত্রী বা অন্য কোনো মন্ত্রীর নির্দেশ ছিল কি না, সেটিও তদন্তের আওতায় আনা হবে বলে জানান তিনি।
২০২৪ সালের আগস্টে আরজি কর মেডিক্যাল কলেজে এক তরুণী চিকিৎসকের ধর্ষণ ও হত্যার ঘটনায় পশ্চিমবঙ্গজুড়ে ব্যাপক ক্ষোভ ও আন্দোলন শুরু হয়। জুনিয়র চিকিৎসকদের টানা আন্দোলনের মুখে সে সময় কলকাতা পুলিশ কমিশনারের পদ থেকে সরিয়ে দেওয়া হয়েছিল বিনীত গোয়েল–কে।
বর্তমানে বিনীত গোয়েল রাজ্যের গোয়েন্দা শাখার মহাপরিচালক হিসেবে দায়িত্ব পালন করছিলেন। অভিষেক গুপ্ত ছিলেন ইএফআরের কমান্ড্যান্ট এবং ইন্দিরা মুখোপাধ্যায় সিআইডির বিশেষ সুপারিনটেনডেন্ট পদে দায়িত্বে ছিলেন।
এদিকে নির্যাতিতার মা, যিনি বর্তমানে বিজেপির টিকিটে পানিহাটির বিধায়ক নির্বাচিত হয়েছেন, সরকারের এ পদক্ষেপকে স্বাগত জানিয়েছেন। তিনি অভিযোগ করেন, মেয়ের মৃত্যুর পর দ্বিতীয়বার ময়নাতদন্তে বাধা দেওয়া হয়েছিল এবং যথাযথ নথি ছাড়াই দ্রুত মরদেহ দাহ করা হয়।
মামলাটির তদন্ত ইতোমধ্যে সিবিআইয়ের হাতে থাকলেও রাজ্য সরকার পুলিশের প্রশাসনিক ভূমিকা আলাদাভাবে পর্যালোচনা করছে বলে জানিয়েছেন শুভেন্দু অধিকারী।
স্বত্ব © ওটিএন বাংলা - 2026 | গোপনীয়তা নীতিমালা | ব্যবহারের নীতিমালা | সম্পাদকীয় নীতিমালা | Proudly Developed by @SSB it.au