কুলাউড়া সীমান্তে বিএসএফের গুলিতে বাংলাদেশি যুবক নিহত
মেলবোর্ন, ১৩ জুন- মৌলভীবাজারের কুলাউড়া উপজেলার দত্তগ্রাম সীমান্ত এলাকায় ভারতের সীমান্তরক্ষী বাহিনী বিএসএফের গুলিতে এক বাংলাদেশি যুবক নিহত হয়েছেন বলে অভিযোগ উঠেছে। শুক্রবার বিকেলে সীমান্তবর্তী…
মেলবোর্ন, ১২ জুন- সুদানের চলমান গৃহযুদ্ধের মধ্যে মধ্যাঞ্চলীয় শহর এল-ওবেইদে ভয়াবহ ড্রোন হামলায় অন্তত ২৩ জন নিহত এবং আরও বহু মানুষ আহত হয়েছেন। স্থানীয় মানবাধিকার সংগঠন ও স্বাস্থ্য কর্মকর্তাদের তথ্যমতে, বুধবার রাতভর চালানো এই হামলায় আবাসিক এলাকা, জানাজার সমাবেশ, খাদ্যবাহী ট্রাক এবং সেনাবাহিনীর অবস্থানের আশপাশের বিভিন্ন স্থান লক্ষ্যবস্তুতে পরিণত হয়।
স্থানীয় মানবাধিকার সংগঠন ‘ইমার্জেন্সি লইয়ার্স’ জানিয়েছে, হামলায় কমপক্ষে ২৩ জন নিহত এবং ১৯ জন আহত হয়েছেন। তবে এল-ওবেইদ হাসপাতালের স্বাস্থ্য কর্মকর্তাদের হিসাব অনুযায়ী, নিহতের সংখ্যা অন্তত ১৫ এবং আহত হয়েছেন ১০ জনের বেশি। ফলে হতাহতের প্রকৃত সংখ্যা আরও বাড়তে পারে বলে আশঙ্কা করা হচ্ছে।
প্রত্যক্ষদর্শীরা জানান, রাতের অন্ধকারে একের পর এক বিস্ফোরণে শহরের বিভিন্ন এলাকায় আতঙ্ক ছড়িয়ে পড়ে। বিশেষ করে একটি জানাজার অনুষ্ঠানে হামলার ঘটনায় স্থানীয়দের মধ্যে ব্যাপক ক্ষোভ ও উদ্বেগ সৃষ্টি হয়েছে। এছাড়া খাদ্যপণ্য পরিবহনকারী ট্রাক লক্ষ্য করে হামলা চালানোয় মানবিক সহায়তা কার্যক্রমও ব্যাহত হওয়ার আশঙ্কা দেখা দিয়েছে।
মানবাধিকার সংগঠন ইমার্জেন্সি লইয়ার্স এই হামলার জন্য আধাসামরিক বাহিনী র্যাপিড সাপোর্ট ফোর্সকে (আরএসএফ) দায়ী করেছে। যদিও আরএসএফ এখন পর্যন্ত এ অভিযোগের বিষয়ে কোনো আনুষ্ঠানিক মন্তব্য করেনি। ফলে হামলার দায় স্বাধীনভাবে যাচাই করা সম্ভব হয়নি।
এর মাত্র কয়েকদিন আগেই উত্তর কোরদোফান অঞ্চলের আবু জাইমা শহরের প্রধান বাজারে আরেকটি ড্রোন হামলায় অন্তত ১১ জন নিহত এবং কয়েক ডজন মানুষ আহত হন। সেই হামলার দায়ও এখনো কোনো পক্ষ স্বীকার করেনি।
২০২৩ সালের এপ্রিলে সুদানের সেনাবাহিনী ও র্যাপিড সাপোর্ট ফোর্সের মধ্যে সংঘাত শুরু হওয়ার পর দেশটি ভয়াবহ মানবিক সংকটে নিমজ্জিত হয়েছে। যুদ্ধের নতুন মাত্রা হিসেবে ড্রোন হামলা ক্রমেই গুরুত্বপূর্ণ হয়ে উঠছে, যা বেসামরিক মানুষের জন্য বড় হুমকি তৈরি করেছে।
জাতিসংঘের তথ্য অনুযায়ী, চলতি বছরের জানুয়ারি থেকে এপ্রিল পর্যন্ত মাত্র চার মাসে সুদানজুড়ে ড্রোন হামলায় অন্তত ৮৮০ জন বেসামরিক নাগরিক নিহত হয়েছেন। বিশ্লেষকদের মতে, সংঘাত অব্যাহত থাকলে দেশটিতে মানবিক বিপর্যয় আরও ভয়াবহ রূপ নিতে পারে এবং লাখো মানুষের জীবন ও জীবিকা নতুন করে ঝুঁকির মুখে পড়বে।
স্বত্ব © ওটিএন বাংলা - 2026 | গোপনীয়তা নীতিমালা | ব্যবহারের নীতিমালা | সম্পাদকীয় নীতিমালা | Proudly Developed by @SSB it.au