কুলাউড়া সীমান্তে বিএসএফের গুলিতে বাংলাদেশি যুবক নিহত
মেলবোর্ন, ১৩ জুন- মৌলভীবাজারের কুলাউড়া উপজেলার দত্তগ্রাম সীমান্ত এলাকায় ভারতের সীমান্তরক্ষী বাহিনী বিএসএফের গুলিতে এক বাংলাদেশি যুবক নিহত হয়েছেন বলে অভিযোগ উঠেছে। শুক্রবার বিকেলে সীমান্তবর্তী…
মেলবোর্ন, ১২ জুন- রাজধানীর সুপ্রিম কোর্ট এলাকায় অবস্থিত অ্যাটর্নি জেনারেলের কার্যালয়ে মধ্যরাতে চুরির ঘটনা ঘটেছে। এ ঘটনাকে সাধারণ চুরি নয়, বরং পরিকল্পিত নাশকতা হতে পারে বলে আশঙ্কা প্রকাশ করেছেন অ্যাটর্নি জেনারেল মো. রুহুল কুদ্দুস কাজল। ঘটনার সঙ্গে জড়িতদের শনাক্ত করে আইনের আওতায় আনতে পুলিশকে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়ার নির্দেশ দেওয়া হয়েছে।
শুক্রবার (১৩ জুন) সকালে অ্যাটর্নি জেনারেলের কার্যালয়ের প্রশাসনিক কর্মকর্তা মো. নাসির উদ্দিন গণমাধ্যমকে বিষয়টি নিশ্চিত করেন।
কার্যালয় সূত্রে জানা গেছে, বৃহস্পতিবার (১২ জুন) দিবাগত রাত প্রায় সোয়া ১টার দিকে কয়েকজন দুষ্কৃতকারী অ্যাটর্নি জেনারেল অফিস ভবনের নিচতলা ও দ্বিতীয় তলার লিফটের সামনে থাকা জানালার দুটি থাই গ্লাসের অংশ খুলে ফেলে। তারা ভবনের পেছন দিক দিয়ে একটি গ্লাসের অংশ নিয়ে যেতে সক্ষম হলেও অন্যটি নিতে পারেনি।
এ সময় সন্দেহজনক শব্দ শুনে কার্যালয়ের দারোয়ান ফজলুল হক ও মিঠুন বাড়ৈ সতর্ক হয়ে ওঠেন। তাদের সঙ্গে দায়িত্বে থাকা পুলিশ সদস্যরাও ঘটনাস্থলে ছুটে আসেন। পরে তারা দুষ্কৃতকারীদের ধাওয়া করলে অভিযুক্তরা দ্রুত পালিয়ে যায়।
ঘটনার বিষয়ে সকালে অ্যাটর্নি জেনারেল মো. রুহুল কুদ্দুস কাজলকে অবহিত করা হলে তিনি বিষয়টিকে গুরুত্বের সঙ্গে দেখার নির্দেশ দেন। তিনি বলেন, এটি শুধুমাত্র চুরির ঘটনা নাও হতে পারে, বরং এর পেছনে নাশকতার উদ্দেশ্য থাকতে পারে।
অ্যাটর্নি জেনারেল আরও বলেন, সাম্প্রতিক সময়ে অ্যাটর্নি জেনারেলের কার্যালয়কে কেন্দ্র করে কিছু ব্যক্তি সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম ও অনলাইন প্ল্যাটফর্মে বিভ্রান্তিকর ও মিথ্যা প্রচারণা চালিয়ে আসছে। চাকরিচ্যুত কয়েকজন দুর্নীতিপরায়ণ ব্যক্তিরও এ ঘটনায় প্রত্যক্ষ বা পরোক্ষ সম্পৃক্ততা থাকতে পারে বলে তিনি সন্দেহ প্রকাশ করেন।
ঘটনার পরপরই থানায় লিখিত অভিযোগ দায়েরের জন্য প্রশাসনিক কর্মকর্তাকে নির্দেশ দেওয়া হয়েছে। পাশাপাশি ঘটনার সঙ্গে জড়িত ব্যক্তি ও সম্ভাব্য ইন্ধনদাতাদের চিহ্নিত করে সুষ্ঠু তদন্ত নিশ্চিত করার জন্য আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর সঙ্গে যোগাযোগ করা হয়েছে।
পুলিশ জানিয়েছে, কার্যালয়ের আশপাশের সিসিটিভি ফুটেজ সংগ্রহ এবং ঘটনার বিভিন্ন দিক খতিয়ে দেখা হচ্ছে। তদন্তের মাধ্যমে চুরির প্রকৃত উদ্দেশ্য এবং এর পেছনে কোনো নাশকতামূলক পরিকল্পনা ছিল কি না, তা উদঘাটনের চেষ্টা চলছে।
দেশের সর্বোচ্চ আইন কর্মকর্তার কার্যালয়ে এমন ঘটনার পর নিরাপত্তা ব্যবস্থা নিয়েও নতুন করে প্রশ্ন উঠেছে। সংশ্লিষ্টরা বলছেন, গুরুত্বপূর্ণ রাষ্ট্রীয় প্রতিষ্ঠানের নিরাপত্তা আরও জোরদার করা এখন সময়ের দাবি।
স্বত্ব © ওটিএন বাংলা - 2026 | গোপনীয়তা নীতিমালা | ব্যবহারের নীতিমালা | সম্পাদকীয় নীতিমালা | Proudly Developed by @SSB it.au