হরমুজ প্রণালি বন্ধ হলে বিশ্ব অর্থনীতিতে ভয়াবহ প্রভাব পড়বে: অস্ট্রেলীয় এমপি
মেলবোর্ন, ১৪ জুলাই- ইরান ও যুক্তরাষ্ট্রের মধ্যে নতুন করে সংঘাত শুরু হওয়ায় হরমুজ প্রণালি ঘিরে বৈশ্বিক জ্বালানি সরবরাহ এবং অর্থনীতি নিয়ে উদ্বেগ বেড়েছে। অস্ট্রেলিয়ার বিরোধী…
মেলবোর্ন, ১৩ জুলাই- গাইবান্ধার পলাশবাড়ীতে আলোচিত ৮১ ফুট উচ্চতার রামমূর্তি নির্মাণের উদ্যোগের উদ্যোক্তা এবং শ্রীশ্রী রাধাগোবিন্দ কালী মন্দিরের প্রতিষ্ঠাতা হরিদাস চন্দ্র তরণী দাসকে মানিলন্ডারিং মামলায় গ্রেপ্তারের ঘটনায় তীব্র নিন্দা, ক্ষোভ এবং তার আশু মুক্তির দাবি জানিয়েছে বাংলাদেশ হিন্দু বৌদ্ধ খ্রিস্টান ঐক্য পরিষদ।
সোমবার (১৩ জুলাই) এক প্রেস বিজ্ঞপ্তিতে সংগঠনটি দাবি করে, ধর্মীয় বিদ্বেষ ও সাম্প্রদায়িক উসকানি সৃষ্টিকারীদের বিরুদ্ধে কার্যকর আইনি ব্যবস্থা না নিয়ে হরিদাস চন্দ্র তরণী দাসকে গ্রেপ্তার করা অত্যন্ত দুর্ভাগ্যজনক, অগ্রহণযোগ্য এবং আইনের শাসন ও গণতান্ত্রিক নীতির পরিপন্থী।
ঐক্য পরিষদের কেন্দ্রীয় কমিটির বিবৃতিতে বলা হয়, দীর্ঘদিন ধরে একটি উগ্র সাম্প্রদায়িক গোষ্ঠী রামমূর্তি নির্মাণের বিরোধিতা করে আসছিল এবং এ ঘটনাকে কেন্দ্র করে হিন্দু ধর্মাবলম্বীদের ধর্মীয় অনুভূতিতে আঘাতের পাশাপাশি দেশজুড়ে বিদ্বেষ ছড়িয়ে দেওয়া হয়েছে। কিন্তু সাম্প্রদায়িক সম্প্রীতি বিনষ্টের অভিযোগে সংশ্লিষ্টদের বিরুদ্ধে কোনো শাস্তিমূলক ব্যবস্থা গ্রহণ না করে বরং হুমকির মুখে থাকা হরিদাস চন্দ্র তরণী দাসকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে।
সংগঠনটির ভাষ্য, এ ধরনের পদক্ষেপ সংখ্যালঘু সম্প্রদায়ের মধ্যে উদ্বেগ সৃষ্টি করবে এবং আইনের সমান প্রয়োগ নিয়ে প্রশ্ন তুলবে। তাই অবিলম্বে হরিদাস চন্দ্র তরণী দাসকে মুক্তি দেওয়ার দাবি জানানো হয়েছে।

প্রেস বিজ্ঞপ্তিতে সংগঠনের যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক মনীন্দ্র কুমার নাথের নাম উল্লেখ করে বিবৃতিটি গণমাধ্যমে পাঠানো হয়।
এর আগে রোববার (১২ জুলাই) গভীর রাতে রাজধানীর উত্তরা পশ্চিম থানায় দায়ের করা একটি মানিলন্ডারিং মামলায় হরিদাস চন্দ্র তরণী দাসকে গ্রেপ্তার করে অপরাধ তদন্ত বিভাগ (সিআইডি)। সিআইডির ফিন্যান্সিয়াল ক্রাইম ইউনিটের একটি বিশেষ দল গাইবান্ধার পলাশবাড়ীর শ্রীশ্রী কালী মন্দির এলাকায় অভিযান চালিয়ে তাকে আটক করে।
উত্তরা পশ্চিম থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মোহাম্মদ খালিদ মনসুর জানান, রোববার থানায় দায়ের হওয়া মানিলন্ডারিং মামলায় হরিদাস চন্দ্র তরণী দাসকে আসামি করা হয়েছে। সেই মামলার ভিত্তিতেই সিআইডি তাকে গ্রেপ্তার করেছে।
পলাশবাড়ী থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) সরোয়ার আলম খানও গ্রেপ্তারের বিষয়টি নিশ্চিত করে বলেন, অভিযানের পর মন্দির এলাকায় কোনো অপ্রীতিকর পরিস্থিতির সৃষ্টি হয়নি। আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি স্বাভাবিক রাখতে সেখানে অতিরিক্ত পুলিশ মোতায়েন করা হয়েছে।
উল্লেখ্য, গাইবান্ধার পলাশবাড়ীতে ৮১ ফুট উচ্চতার রামমূর্তি নির্মাণের উদ্যোগকে কেন্দ্র করে সম্প্রতি ব্যাপক আলোচনা-সমালোচনার সৃষ্টি হয়। পরে মন্দির কর্তৃপক্ষ আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি ও সাম্প্রদায়িক সম্প্রীতির কথা বিবেচনা করে মূর্তি নির্মাণের কাজ স্থগিত করার ঘোষণা দেয়।
স্বত্ব © ওটিএন বাংলা - 2026 | গোপনীয়তা নীতিমালা | ব্যবহারের নীতিমালা | সম্পাদকীয় নীতিমালা | Proudly Developed by @SSB it.au