ফাইনালে মারামারি কাণ্ডে ফিফার শাস্তি নিয়ে মুখ খুললেন স্পেনের কোচ
মেলবোর্ন, ২৭ আগষ্ট- ২০২৬ বিশ্বকাপের ফাইনালে আর্জেন্টিনা ও স্পেনের ম্যাচ শেষে দুই দলের খেলোয়াড়দের মধ্যে সংঘর্ষের ঘটনায় ফিফার শাস্তি নিয়ে মুখ খুলেছেন স্পেনের কোচ লুইস…
মেলবোর্ন, ২৭ আগষ্ট- নেপাল-চীন সীমান্তবর্তী এলাকায় ভয়াবহ আকস্মিক বন্যা ও ভূমিধসে মৃতের সংখ্যা বেড়ে ৯৫ জনে দাঁড়িয়েছে। এখনো ৪০৩ জন নিখোঁজ রয়েছেন। নিখোঁজদের সন্ধানে উদ্ধার ও তল্লাশি অভিযান অব্যাহত রয়েছে বলে জানিয়েছে নেপালের প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয়।
নেপালের প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয়ের তথ্য অনুযায়ী, এখন পর্যন্ত ৯৫টি মরদেহ উদ্ধার করা হয়েছে। অন্যদিকে, নেপাল ট্যুরিজম বোর্ডের সর্বশেষ হিসাবে ৪০৩ জনের সন্ধান পাওয়া যাচ্ছে না। নিখোঁজদের মধ্যে ৬১ জন নেপালি নাগরিক এবং ৩৪১ জন বিদেশি। তাদের মধ্যে ২০০ জন নারী ও ২০৩ জন পুরুষ রয়েছেন।
নেপাল ট্যুরিজম বোর্ড জানিয়েছে, নিখোঁজ বিদেশি নাগরিকরা অন্তত ২৬টি দেশের। তাদের মধ্যে ভারতের ১৩৩ জন, যুক্তরাষ্ট্রের ৪৭ জন এবং যুক্তরাজ্যের ৩৩ জন নাগরিক রয়েছেন। ট্যুর অপারেটরদের তথ্য অনুযায়ী, নিখোঁজদের বড় একটি অংশ ভারতের সীমান্তের কাছে তিব্বতের মানস সরোবরের উদ্দেশ্যে যাত্রা করেছিলেন।
ভয়াবহ বন্যা ও ভূমিধসে নেপাল-চীন সীমান্তের একাধিক এলাকা ব্যাপকভাবে ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে। বিশেষ করে ভোতে কোশি নদীর তীরবর্তী রসুয়া ও নুওয়াকোট জেলার বিভিন্ন বসতিতে ব্যাপক ধ্বংসযজ্ঞ হয়েছে। আকস্মিক পানির ঢল ও ভূমিধসে ঘরবাড়ি, সড়ক ও সেতুসহ গুরুত্বপূর্ণ অবকাঠামো ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে।
বন্যা ও ভূমিধসের কারণে বিদ্যুৎ ও সড়ক যোগাযোগও ব্যাহত হয়েছে। ফলে দুর্গত এলাকায় উদ্ধারকারী দলগুলোর পৌঁছানো এবং নিখোঁজদের সন্ধান করা কঠিন হয়ে পড়েছে। তবু জীবিতদের উদ্ধারে উদ্ধারকারীরা অভিযান চালিয়ে যাচ্ছেন।
স্থানীয় কর্মকর্তারা জানিয়েছেন, দুর্যোগের ক্ষয়ক্ষতির মাত্রা কল্পনারও বাইরে। সন্ধ্যা ঘনিয়ে আসার সঙ্গে সঙ্গে নিখোঁজদের জীবিত উদ্ধারে সময়ের সঙ্গে পাল্লা দিয়ে কাজ করছেন উদ্ধারকারীরা। মৃত ও নিখোঁজের সংখ্যা আরও বাড়তে পারে বলে আশঙ্কা করা হচ্ছে।
২০১৫ সালের ভয়াবহ ভূমিকম্পের পর এটিকে নেপালের সবচেয়ে প্রাণঘাতী দুর্যোগগুলোর একটি হিসেবে দেখা হচ্ছে। ওই ভূমিকম্পে প্রায় ৯ হাজার মানুষ নিহত হয়েছিলেন।
নেপাল-চীন সীমান্তের ভাটির দিকে থাকা কয়েকটি জেলা বন্যা ও ভূমিধসে ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে। সবচেয়ে বেশি ক্ষতিগ্রস্ত এলাকাগুলোর মধ্যে ভোতে কোশি নদীর তীরবর্তী রসুয়া ও নুওয়াকোট রয়েছে। জনবসতি তুলনামূলক কম হলেও নেপাল-চীন বাণিজ্যের জন্য গুরুত্বপূর্ণ সড়ক যোগাযোগের একটি অংশ এই অঞ্চল দিয়ে গেছে।
এদিকে, কর্তৃপক্ষ নিখোঁজদের অবস্থান শনাক্ত, জীবিতদের উদ্ধার এবং ক্ষতিগ্রস্ত এলাকাগুলোতে জরুরি সহায়তা পৌঁছে দিতে অভিযান আরও জোরদার করেছে। পরিস্থিতি স্বাভাবিক না হওয়া পর্যন্ত উদ্ধার তৎপরতা অব্যাহত থাকবে বলে জানিয়েছে সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষ।
স্বত্ব © ওটিএন বাংলা - 2026 | গোপনীয়তা নীতিমালা | ব্যবহারের নীতিমালা | সম্পাদকীয় নীতিমালা | Proudly Developed by @SSB it.au