মেলবোর্ন, ২৬ আগষ্ট: সৌদি আরব, তুরস্ক ও পাকিস্তানের সমন্বয়ে গঠিত ‘মক্কা প্রতিরক্ষা চুক্তিতে’ যোগ দেওয়ার আমন্ত্রণ পেয়েছে বাংলাদেশ। ঢাকা এখনো আনুষ্ঠানিকভাবে সম্মতি দেয়নি। তবে বিএনপি সরকার প্রস্তাবটি ইতিবাচকভাবে বিবেচনা করছে বলে প্রকাশিত খবরে বলা হয়েছে।
বিষয়টি আপাতদৃষ্টিতে একটি পররাষ্ট্র ও প্রতিরক্ষানীতির সিদ্ধান্ত। কিন্তু প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের সরকারের জন্য এটি শেষ পর্যন্ত রাজনৈতিকভাবে টিকে থাকার প্রশ্নে পরিণত হতে পারে—এমন যুক্তি তুলে ধরেছেন লেখক পূর্ণ লাল চাকমা।
২৬ আগস্ট দ্য টাইমস অব ইসরায়েল-এর ব্লগ বিভাগে প্রকাশিত “Why Bangladesh’s BNP May Have to Join the Makkah Pact to Survive” শিরোনামের নিবন্ধে তিনি মক্কা প্যাক্টকে ঘিরে বাংলাদেশের অভ্যন্তরীণ রাজনীতি, ভারতের নিরাপত্তাগত উদ্বেগ, ইসরায়েলের দৃষ্টিভঙ্গি এবং পার্বত্য চট্টগ্রামের দীর্ঘদিনের সামরিকীকরণ—এই চারটি বিষয় বিশ্লেষণ করেছেন।
উল্লেখ্য, এটি দ্য টাইমস অব ইসরায়েল-এর কোনো সম্পাদকীয় অবস্থান নয়। সংবাদমাধ্যমটির ব্লগ বিভাগে তৃতীয় পক্ষের লেখকদের মতামত প্রকাশিত হয় এবং সংশ্লিষ্ট বক্তব্যের দায় লেখকের নিজস্ব।
‘না’ বলার রাজনৈতিক মূল্য
বাংলাদেশ মুসলিম সংখ্যাগরিষ্ঠ দেশ। ইসলামের দুই পবিত্র নগরী মক্কা ও মদিনার কারণে সৌদি আরবের প্রতি দেশের বিপুলসংখ্যক মানুষের বিশেষ ধর্মীয় ও আবেগগত সম্পর্ক রয়েছে। এর সঙ্গে তুরস্ক ও পাকিস্তানের মতো মুসলিম সংখ্যাগরিষ্ঠ দেশ যুক্ত হওয়ায় এই প্রতিরক্ষা চুক্তি শুধু সামরিক সহযোগিতার দলিল হিসেবে বিবেচিত হবে না; এটি ধর্মীয় আবেগ ও রাজনৈতিক পরিচয়ের প্রতীক হিসেবেও উপস্থাপিত হতে পারে।
সাধারণ ভোটারদের অধিকাংশ চুক্তিটির সামরিক ধারা, যৌথ প্রতিরক্ষার বাধ্যবাধকতা কিংবা আঞ্চলিক নিরাপত্তার দীর্ঘমেয়াদি প্রভাব বিস্তারিতভাবে পর্যালোচনা করবেন না। তাঁদের সামনে বরং একটি সহজ রাজনৈতিক চিত্র তুলে ধরা হতে পারে—সৌদি আরব, তুরস্ক ও পাকিস্তান একসঙ্গে দাঁড়িয়েছে; মুসলিম সংখ্যাগরিষ্ঠ বাংলাদেশ কি তাদের সঙ্গে যোগ দেবে, নাকি বাইরে থাকবে?
পূর্ণ লাল চাকমার মতে, বিএনপি সরকার প্রস্তাবটি প্রত্যাখ্যান করলে বিরোধীরা খুব সহজেই প্রশ্ন তুলতে পারে—সরকার কি ভারতের চাপে সিদ্ধান্ত নিয়েছে? বিএনপি কি ভারতপন্থী হয়ে পড়েছে?
একটি জটিল কূটনৈতিক ব্যাখ্যার তুলনায় এমন সরল ও আবেগনির্ভর প্রশ্ন রাজপথে অনেক বেশি কার্যকর হয়ে উঠতে পারে।
জনমতের পরিবর্তন বিএনপিকে চাপে ফেলতে পারে
লেখক তাঁর যুক্তির সমর্থনে পিউ রিসার্চ সেন্টারের ২০২৬ সালের জরিপের তথ্য উল্লেখ করেছেন। জরিপ অনুযায়ী, ৫৪ শতাংশ বাংলাদেশি পাকিস্তান সম্পর্কে ইতিবাচক ধারণা প্রকাশ করেছেন। ২০২৪ সালে এই হার ছিল ৪০ শতাংশ। অর্থাৎ দুই বছরের মধ্যে বাংলাদেশে পাকিস্তানের প্রতি ইতিবাচক মনোভাব উল্লেখযোগ্যভাবে বেড়েছে। পিউ রিসার্চ সেন্টারের প্রতিবেদন এই পরিবর্তনের বিষয়টি তুলে ধরেছে।
অন্যদিকে, জরিপে অংশ নেওয়া ৫১ শতাংশ বাংলাদেশি ভারতের প্রতি নেতিবাচক মনোভাব জানিয়েছেন বলে চাকমা তাঁর নিবন্ধে উল্লেখ করেন। ২০২৪ সালের পর ভারত সম্পর্কে ইতিবাচক ধারণারও উল্লেখযোগ্য অবনতি ঘটেছে।
জনমতের এই পরিবর্তনকে উপেক্ষা করে মক্কা প্যাক্টের আমন্ত্রণ প্রত্যাখ্যান করা বিএনপির জন্য রাজনৈতিকভাবে ঝুঁকিপূর্ণ হতে পারে। বিশেষ করে বিরোধী দলগুলো যদি সিদ্ধান্তটিকে ভারতের প্রতি আনুগত্যের প্রমাণ হিসেবে উপস্থাপন করতে সক্ষম হয়, তাহলে সরকারের জন্য পরিস্থিতি সামাল দেওয়া কঠিন হয়ে উঠতে পারে।
শেখ হাসিনার পরিণতি থেকে বিএনপির শিক্ষা
শেখ হাসিনা সরকারের পতনের পেছনে বহু রাজনৈতিক, অর্থনৈতিক ও সামাজিক কারণ ছিল। তবে দীর্ঘদিন ধরে তাঁর সরকারের বিরুদ্ধে ভারতের ওপর অতিরিক্ত নির্ভরশীলতার অভিযোগও বিরোধীদের অন্যতম শক্তিশালী রাজনৈতিক অস্ত্র হয়ে উঠেছিল।
‘ইন্ডিয়া আউট’ প্রচারাভিযান এবং ভারতীয় পণ্য বর্জনের আহ্বান দেখিয়েছে, বাংলাদেশে ভারতবিরোধী মনোভাবকে কত সহজে একটি বৃহৎ রাজনৈতিক প্রচারণায় রূপান্তর করা যায়।
বিএনপি দীর্ঘদিন আওয়ামী লীগের বিরুদ্ধে ভারতঘনিষ্ঠতার অভিযোগ করেছে। দলটির নেতারা বারবার দাবি করেছেন, আওয়ামী লীগ বাংলাদেশের জাতীয় স্বার্থের চেয়ে ভারতের স্বার্থকে বেশি গুরুত্ব দিয়েছে।
ক্ষমতায় আসার পর একই বিএনপি যদি সৌদি আরব, তুরস্ক ও পাকিস্তানের প্রতিরক্ষা চুক্তি প্রত্যাখ্যান করে, তাহলে দলটি নিজের ব্যবহৃত রাজনৈতিক অস্ত্রেরই শিকার হতে পারে। বিরোধীরা বলতে পারে—শেখ হাসিনা ভারতের অনুসরণ করে রাজনৈতিকভাবে ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছেন; বিএনপিও কি এখন একই পথে হাঁটছে?
এ ধরনের প্রচারণা রাজনৈতিকভাবে কতটা সত্য, সেটি অনেক সময় গৌণ হয়ে যায়। গুরুত্বপূর্ণ হয়ে ওঠে, জনমনে সেই বক্তব্য কতটা বিশ্বাসযোগ্যভাবে প্রতিষ্ঠা করা যাচ্ছে।
ভারতের নিরাপত্তাগত উদ্বেগ উপেক্ষা করা যাবে না
বাংলাদেশ মক্কা প্যাক্টে যোগ দিলে ভারতের উদ্বিগ্ন হওয়ার যথেষ্ট কারণ রয়েছে। বাংলাদেশ তার স্থলসীমান্তের বড় অংশ ভারতের সঙ্গে ভাগ করে এবং ভারতের সংবেদনশীল উত্তর-পূর্বাঞ্চলীয় রাজ্যগুলোর পাশে অবস্থিত। অন্যদিকে, পাকিস্তান ভারতের দীর্ঘদিনের সামরিক প্রতিদ্বন্দ্বী।
চুক্তির মাধ্যমে বাংলাদেশে পাকিস্তানের সামরিক প্রভাব বাড়লে নয়াদিল্লি এটিকে নিজের পূর্ব সীমান্তে নতুন নিরাপত্তা চ্যালেঞ্জ হিসেবে দেখতে পারে।
পাকিস্তান সাধারণত ভারতের পশ্চিম সীমান্তে সামরিক চাপ সৃষ্টি করে। কিন্তু মক্কা প্যাক্টে বাংলাদেশের সদস্যপদ যদি ভবিষ্যতে পাকিস্তানি সেনা, সামরিক উপদেষ্টা, ড্রোন প্রযুক্তি কিংবা গোয়েন্দা স্থাপনার উপস্থিতির সুযোগ সৃষ্টি করে, তাহলে ভারতকে পূর্ব দিক থেকেও সম্ভাব্য চাপের বিষয়টি বিবেচনা করতে হবে।
বাংলাদেশের অবস্থান ভারতের উত্তর-পূর্বাঞ্চল এবং সংকীর্ণ শিলিগুড়ি করিডরের কাছে হওয়ায় এমন কোনো পরিস্থিতি নয়াদিল্লির কাছে বিশেষভাবে সংবেদনশীল হয়ে উঠবে।
তবে পূর্ণ লাল চাকমা স্বীকার করেছেন, এই আশঙ্কা এখনো একটি সম্ভাব্য ভবিষ্যৎ ঝুঁকি; সদস্যপদ গ্রহণ করলেই বাংলাদেশে পাকিস্তানি সামরিক ঘাঁটি স্থাপিত হবে—এমন সিদ্ধান্তে পৌঁছানোর সুযোগ নেই।
বাংলাদেশ চুক্তিতে যোগ দিয়েও স্থায়ী বিদেশি সামরিক ঘাঁটি প্রত্যাখ্যান করতে পারে। একই সঙ্গে ভারতকে নিশ্চয়তা দিতে পারে যে বাংলাদেশের ভূখণ্ড কোনো প্রতিবেশী রাষ্ট্রের বিরুদ্ধে সামরিক কর্মকাণ্ডে ব্যবহার করতে দেওয়া হবে না।
অর্থাৎ ভারতের উদ্বেগ কূটনীতি, স্বচ্ছ শর্ত এবং কার্যকর নিরাপত্তা নিশ্চয়তার মাধ্যমে কিছুটা সামাল দেওয়া সম্ভব।
ইসরায়েল কেন নজর রাখবে
বাংলাদেশ এখনো ইসরায়েলকে স্বীকৃতি দেয়নি। নতুন পাসপোর্টে আবারও “ইসরায়েল ছাড়া বিশ্বের সব দেশের জন্য বৈধ” কথাটি ফিরিয়ে আনার নির্দেশ দেওয়া হয়েছে বলে লেখক উল্লেখ করেছেন।
তার ভাষ্য অনুযায়ী, পিউ রিসার্চ সেন্টারের ২০২৬ সালের জরিপে ৭৯ শতাংশ বাংলাদেশি ইসরায়েল সম্পর্কে নেতিবাচক মনোভাব প্রকাশ করেছেন।
গাজাকে ঘিরে সংঘাত ও বৃহত্তর ইরান-ইসরায়েল উত্তেজনার প্রেক্ষাপটে পাকিস্তান ও তুরস্ককে অন্তর্ভুক্ত করে গঠিত কোনো প্রতিরক্ষা কাঠামোর সঙ্গে বাংলাদেশের ঘনিষ্ঠতা ইসরায়েলের দৃষ্টি আকর্ষণ করবে—এটাই স্বাভাবিক।
তবে মক্কা প্যাক্ট আনুষ্ঠানিকভাবে ইসরায়েলবিরোধী জোট নয়। কাজেই বাংলাদেশের সম্ভাব্য সদস্যপদকে সরাসরি ইসরায়েলের বিরুদ্ধে অবস্থান হিসেবে দেখা ঠিক হবে না। তারপরও এই জোটে বাংলাদেশের অন্তর্ভুক্তি দক্ষিণ এশিয়া ও মধ্যপ্রাচ্যের ভূরাজনৈতিক সমীকরণে নতুন বার্তা দিতে পারে।
পার্বত্য চট্টগ্রামের জন্য কী বার্তা?
পূর্ণ লাল চাকমা নিজেকে ইসরায়েলসমর্থক একজন আদিবাসী বাংলাদেশি হিসেবে পরিচয় দিয়েছেন। তাই তাঁর বিশ্লেষণে পার্বত্য চট্টগ্রামের দীর্ঘস্থায়ী সামরিকীকরণ বিশেষ গুরুত্ব পেয়েছে।
তাঁর মতে, বাংলাদেশ গণতান্ত্রিক রাষ্ট্র হলেও পার্বত্য চট্টগ্রাম বহু দশক ধরে ব্যাপক সামরিক উপস্থিতি, ভূমি বিরোধ, বাস্তুচ্যুতি এবং মানবাধিকার লঙ্ঘনের অভিযোগের মুখে রয়েছে। ১৯৯৭ সালের পার্বত্য চট্টগ্রাম শান্তিচুক্তির পরও অঞ্চলটি পুরোপুরি নিরাপত্তাকেন্দ্রিক প্রশাসনিক দৃষ্টিভঙ্গি থেকে বের হতে পারেনি।
বাংলাদেশ নতুন একটি সামরিক কাঠামোয় যুক্ত হলে রাষ্ট্রীয় নীতিতে সামরিক দৃষ্টিভঙ্গি আরও শক্তিশালী হওয়ার আশঙ্কা তৈরি হতে পারে। এতে পার্বত্য চট্টগ্রামের অসামরিকীকরণ ও রাজনৈতিক সমাধানের সুযোগ আরও সংকুচিত হতে পারে বলে আদিবাসী জনগোষ্ঠীর মধ্যে উদ্বেগ দেখা দেওয়া অস্বাভাবিক নয়।
এই কারণে মক্কা প্যাক্টের প্রশ্নটি কেবল ভারত, পাকিস্তান বা ইসরায়েলের সঙ্গে বাংলাদেশের সম্পর্কের বিষয় নয়। চুক্তিটি দেশের অভ্যন্তরীণ রাজনীতি, নাগরিক অধিকার এবং আদিবাসী জনগোষ্ঠীর ভবিষ্যতের ওপর কী প্রভাব ফেলতে পারে, সেটিও সমান গুরুত্ব দিয়ে বিবেচনা করা প্রয়োজন।
বিএনপির সামনে আসল নির্বাচন
বিএনপির সামনে রাজনৈতিক হিসাবটি আপাতদৃষ্টিতে সরল, কিন্তু তার পরিণতি অত্যন্ত জটিল।
বাংলাদেশ মক্কা প্যাক্টে যোগ দিলে সরকারকে ভারতের উদ্বেগ মোকাবিলা করতে হবে। আর যোগ না দিলে সরকারকে দেশের ভেতরে ধর্ম, জাতীয়তাবাদ এবং ভারতঘনিষ্ঠতার অভিযোগকে কেন্দ্র করে গড়ে ওঠা রাজনৈতিক আন্দোলন সামাল দিতে হতে পারে।
ভারতের উদ্বেগ কূটনৈতিক আলোচনা, সামরিক উপস্থিতি সীমিত রাখার প্রতিশ্রুতি এবং বাংলাদেশের ভূখণ্ড প্রতিবেশী দেশের বিরুদ্ধে ব্যবহার না করার নিশ্চয়তার মাধ্যমে মোকাবিলা করা সম্ভব। কিন্তু দেশের ভেতরে একবার ধর্মীয় আবেগ ও জাতীয়তাবাদকে কেন্দ্র করে আন্দোলন শুরু হলে তা নিয়ন্ত্রণ করা অনেক বেশি কঠিন হয়ে উঠতে পারে।
পূর্ণ লাল চাকমা স্পষ্ট করেছেন, তিনি মক্কা প্যাক্টে যোগ দেওয়াকে বাংলাদেশ, ভারত, ইসরায়েল কিংবা পার্বত্য চট্টগ্রামের আদিবাসীদের জন্য ভালো সিদ্ধান্ত হিসেবে প্রতিষ্ঠা করছেন না। তাঁর যুক্তি আরও সীমিত—বিএনপির রাজনৈতিকভাবে টিকে থাকার দৃষ্টিকোণ থেকে চুক্তিটি প্রত্যাখ্যান করাই হয়তো বেশি বিপজ্জনক হতে পারে।
মক্কা প্যাক্টে যোগ দেওয়া বাংলাদেশের জন্য সহজ কোনো সিদ্ধান্ত নয়। এতে একদিকে মুসলিম বিশ্বের গুরুত্বপূর্ণ তিনটি রাষ্ট্রের সঙ্গে নিরাপত্তা সহযোগিতা বাড়তে পারে, অন্যদিকে ভারতের সঙ্গে সম্পর্ক, স্বাধীন পররাষ্ট্রনীতি, সামরিক দায়বদ্ধতা এবং অভ্যন্তরীণ মানবাধিকার পরিস্থিতিতে নতুন ঝুঁকি সৃষ্টি হতে পারে।
রাষ্ট্রীয় সিদ্ধান্ত শুধু তাৎক্ষণিক রাজনৈতিক লাভ বা ক্ষমতায় টিকে থাকার হিসাবের ভিত্তিতে নেওয়া উচিত নয়। চুক্তির পূর্ণাঙ্গ ধারা সংসদ, নিরাপত্তা বিশেষজ্ঞ, কূটনীতিক ও নাগরিক সমাজের সামনে প্রকাশ করা প্রয়োজন। বিদেশি সেনা বা সামরিক স্থাপনার উপস্থিতি, যৌথ প্রতিরক্ষা বাধ্যবাধকতা এবং বাংলাদেশের সেনাদের সম্ভাব্য ভূমিকা সম্পর্কেও স্পষ্ট উত্তর থাকতে হবে।
তারপরও বাংলাদেশের বর্তমান রাজনৈতিক বাস্তবতায় বিএনপি সরকারের জন্য প্রশ্নটি শুধু কোন সিদ্ধান্ত জাতীয় স্বার্থে সর্বোত্তম, তা নয়। কোন সিদ্ধান্তের রাজনৈতিক মূল্য সরকার বহন করতে পারবে—সেটিও সমান গুরুত্বপূর্ণ হয়ে উঠেছে।
-পূর্ণ লাল চাকমা, দ্য টাইমস অব ইসরায়েল