বইমেলায় মশিউর রহমানের নতুন বই ‘AI Dark & Light’
মেলবোর্ন, ০৩ মার্চ- একুশে বইমেলা ২০২৬ উপলক্ষে ধ্রুবতারা প্রকাশনী থেকে প্রকাশিত হয়েছে মশিউর রহমান প্রান্তের নতুন বই ‘এআই ডার্ক অ্যান্ড লাইট’। কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা বা আর্টিফিশিয়াল ইন্টেলিজেন্সের…
বিশ্বের সবচেয়ে দুর্গম ও ঘন বৃষ্টি-অরণ্যগুলোর কার্বন মজুত ও পরিবেশগত অবস্থা এবার মহাকাশ থেকেই পরিমাপ করা হবে। ইউরোপীয় মহাকাশ সংস্থা (ইসা) পরিচালিত ‘বায়োমাস’ নামের একটি মহাকাশযান চলতি এপ্রিলের শেষে ফ্রেঞ্চ গায়ানার কুরু থেকে উৎক্ষেপণ করা হবে।
এই ১.২৫ টনের উপগ্রহটিতে বিশেষ ধরনের পি-ব্যান্ড সিন্থেটিক অ্যাপারচার রাডার সংযুক্ত রয়েছে। এটা পৃথিবীর ৬০০ কিলোমিটার ওপরে থেকে আফ্রিকা, এশিয়া ও দক্ষিণ আমেরিকার ঘন অরণ্যের মধ্য দিয়ে প্রবেশ করে ভূপৃষ্ঠ পর্যন্ত তথ্য সংগ্রহ করতে পারবে। এর ফলে প্রথমবারের মতো এই বনাঞ্চলের তিন-মাত্রিক (থ্রিডি) মানচিত্র তৈরি সম্ভব হবে।
বায়োমাস আগামী পাঁচ বছর ধরে গোপন বনভূমির গঠন, জীববৈচিত্র্য হার, ও কার্বন মজুদের পরিমাণ পরিমাপ করবে।
গবেষকদের মতে, পৃথিবীর ‘সবুজ ফুসফুস’ নামে পরিচিত এই বনাঞ্চল বছরে প্রায় ৮০০ কোটি টন কার্বন শোষণ করে। কিন্তু বন উজাড়ের কারণে সেই কার্বন আবার বাতাসে ফিরে যাচ্ছে, যা জলবায়ু পরিবর্তনের ঝুঁকি বাড়াচ্ছে।
ইসার বিজ্ঞানীরা জানিয়েছেন, এই তথ্য কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তার (AI) সহায়তায় বিশ্লেষণ করে ভবিষ্যতের জলবায়ু পরিবর্তনের পূর্বাভাস দেওয়া যাবে। প্রকল্প বিজ্ঞানী অধ্যাপক শন কুইগান বলেন, আমরা কার্যত বনভূমি ওজন করব এবং সেই ওজনের অন্তত অর্ধেক কার্বন আমাদের ভবিষ্যৎ নির্ধারণে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখবে।
স্বত্ব © ওটিএন বাংলা - 2026 | গোপনীয়তা নীতিমালা | ব্যবহারের নীতিমালা | সম্পাদকীয় নীতিমালা | Proudly Developed by @SSB it.au