পশ্চিমবঙ্গের বিধানসভায় ‘জয় বাংলা’ স্লোগান
মেলবোর্ন, ১৫ মে- নতুন স্পিকার নির্বাচনের মধ্য দিয়ে শুরু হওয়া পশ্চিমবঙ্গ বিধানসভার প্রথম অধিবেশনেই তীব্র রাজনৈতিক উত্তেজনা ছড়িয়ে পড়ে। ‘ভারত মাতা কি জয়’ ও ‘জয় বাংলা’…
মেলবোর্ন, ১৫ মে- ইউরোপীয় ইউনিয়নের বাইরে থেকে আসা শ্রমিকদের জন্য নতুন ভিসা বন্ধের পরিকল্পনাকে ঘিরে হাঙ্গেরির ব্যবসায়ী মহলে ব্যাপক উদ্বেগ তৈরি হয়েছে। শিল্পপ্রতিষ্ঠান ও ব্যবসায়িক সংগঠনগুলো সতর্ক করে বলছে, এই সিদ্ধান্ত কার্যকর হলে দেশটিতে শ্রমিক সংকট আরও তীব্র হতে পারে এবং উৎপাদন খাতে বড় ধরনের ধাক্কা লাগতে পারে।
সম্প্রতি অনুষ্ঠিত নির্বাচনে জয়ী হয়ে ক্ষমতায় আসা প্রধানমন্ত্রী পিটার ম্যাজিয়ার নেতৃত্বাধীন তিসজা পার্টি ঘোষণা দিয়েছে, আগামী মাস থেকে ইউরোপীয় ইউনিয়নের বাইরের দেশগুলোর শ্রমিকদের নতুন ভিসা দেওয়া বন্ধ করা হবে। দলটির দাবি, বিদেশি শ্রমিকদের কারণে স্থানীয় নাগরিকদের চাকরির সুযোগ কমে যাচ্ছে এবং মজুরির ওপর চাপ তৈরি হচ্ছে।
এই ঘোষণার পর থেকেই হাঙ্গেরিতে বিনিয়োগ করা বিভিন্ন বিদেশি কোম্পানি ও শিল্পগোষ্ঠীর মধ্যে অস্থিরতা দেখা দিয়েছে। ব্যবসায়ীরা বলছেন, দেশের উৎপাদন ও সেবা খাত ইতোমধ্যেই শ্রমিক সংকটে ভুগছে। এমন অবস্থায় বিদেশি শ্রমিক নিয়োগ বন্ধ হলে কারখানাগুলোর কার্যক্রম ব্যাহত হতে পারে।
জনবল নিয়োগ প্রতিষ্ঠান র্যান্ডস্ট্যাডের আঞ্চলিক প্রধান সান্দর বাজা বলেন, ইউরোপীয় ইউনিয়নের বাইরের শ্রমিকদের পুরোপুরি নিষিদ্ধ করা দীর্ঘমেয়াদে বাস্তবসম্মত হবে না। তার মতে, আগামী এক দশকে বিপুলসংখ্যক হাঙ্গেরিয়ান কর্মী অবসরে যাবেন, ফলে শ্রমবাজারে ঘাটতি আরও বাড়বে।
তিনি বলেন, “অর্থনৈতিক বাস্তবতা বিবেচনায় নিয়ে সরকারকে সিদ্ধান্ত নিতে হবে। বিদেশি শ্রমিক ছাড়া অনেক খাত সচল রাখা কঠিন হয়ে পড়বে।”
সরকারি তথ্য অনুযায়ী, বর্তমানে হাঙ্গেরির মোট শ্রমশক্তির প্রায় ২ শতাংশ বিদেশি শ্রমিক। তবে উৎপাদন ও সেবা খাতের বিভিন্ন প্রতিষ্ঠানে এই নির্ভরশীলতার হার অনেক বেশি। আমেরিকান চেম্বার অব কমার্সের সভাপতি আকোস জানজা জানিয়েছেন, কিছু প্রতিষ্ঠানে বিদেশি শ্রমিকের সংখ্যা মোট কর্মীর ২০ শতাংশ পর্যন্ত।
তিনি সতর্ক করে বলেন, বিদেশি শ্রমিক না থাকলে অনেক কারখানাকে উৎপাদনের একটি বা একাধিক শিফট বন্ধ করতে হতে পারে। এতে দেশের অর্থনীতিতে নেতিবাচক প্রভাব পড়বে।
জার্মান-হাঙ্গেরিয়ান আমেরিকান চেম্বার অব কমার্সের প্রধান রবার্ট কেসটে বলেন, বিদেশি শ্রমিকদের ওপর নিষেধাজ্ঞা আরোপ করা হলে বিনিয়োগকারীদের আস্থাও ক্ষতিগ্রস্ত হতে পারে। তার মতে, বর্তমান পরিস্থিতিতে বিদেশি শ্রমিক ছাড়া হাঙ্গেরির শিল্প ও অর্থনীতি সচল রাখা কঠিন হবে।
বিশ্লেষকদের মতে, ইউরোপজুড়ে জনসংখ্যা সংকট ও কর্মক্ষম মানুষের সংখ্যা কমে যাওয়ায় বহু দেশ বিদেশি শ্রমিকের ওপর নির্ভরশীল হয়ে উঠেছে। এমন পরিস্থিতিতে হাঙ্গেরির নতুন সরকারের এই নীতি ভবিষ্যতে দেশটির অর্থনীতি ও বিনিয়োগ পরিবেশে বড় প্রভাব ফেলতে পারে।
সুত্রঃ রয়টার্স
স্বত্ব © ওটিএন বাংলা - 2026 | গোপনীয়তা নীতিমালা | ব্যবহারের নীতিমালা | সম্পাদকীয় নীতিমালা | Proudly Developed by @SSB it.au