মাত্র ৪০ দিনে ইরানকে দুর্বল করেছে যুক্তরাষ্ট্র : সেন্টকম
মেলবোর্ন, ১৬ মে- যুক্তরাষ্ট্রের নেতৃত্বে পরিচালিত ‘অপারেশন এপিক ফিউরি’ অভিযানে মাত্র ৪০ দিনের মধ্যেই ইরানের সামরিক সক্ষমতায় বড় ধরনের আঘাত হানা সম্ভব হয়েছে বলে দাবি করেছে…
মেলবোর্ন, ১৫ মে- নতুন স্পিকার নির্বাচনের মধ্য দিয়ে শুরু হওয়া পশ্চিমবঙ্গ বিধানসভার প্রথম অধিবেশনেই তীব্র রাজনৈতিক উত্তেজনা ছড়িয়ে পড়ে। ‘ভারত মাতা কি জয়’ ও ‘জয় বাংলা’ স্লোগানকে কেন্দ্র করে শাসকদল বিজেপি ও বিরোধী তৃণমূল কংগ্রেসের বিধায়কদের মধ্যে বাগযুদ্ধ শুরু হয়। এক পর্যায়ে জাতীয় সঙ্গীত সঠিকভাবে গাওয়া হয়নি অভিযোগ তুলে তৃণমূলের বিধায়কেরা কক্ষ ত্যাগ করেন। পরে অবশ্য তারা আবার অধিবেশনে ফিরে আসেন।
বুধবার অনুষ্ঠিত অধিবেশনে নতুন স্পিকার হিসেবে দায়িত্ব নেন রথীন্দ্রনাথ বোস। দায়িত্ব গ্রহণের পর তিনি প্রথমে মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারীকে বক্তব্য দেওয়ার সুযোগ দেন। বক্তব্যে শুভেন্দু অধিকারী বলেন, “বিধানসভা সংঘাত বা মারামারির জায়গা নয়। আমরা গঠনমূলক বিরোধিতা চাই। সংবিধানের ভাষায় এই হাউস বিরোধী দলেরও।”
তিনি আরও বলেন, সরকার ও বিরোধী দলকে সমান গুরুত্ব দিয়ে বক্তব্য রাখার সুযোগ দেওয়া হবে এবং গণতান্ত্রিক পরিবেশ বজায় রাখতে সরকার প্রতিশ্রুতিবদ্ধ।
এরপর বিরোধী দলনেতা শোভনদেব চট্টোপাধ্যায় বক্তব্য রাখতে গিয়ে ভোট-পরবর্তী সহিংসতার প্রসঙ্গ তোলেন। তিনি বলেন, “মানুষের মধ্যে এখনো আতঙ্ক রয়েছে। বহু মানুষ ঘরছাড়া। নির্বাচনের সময় ভরসা ফেরানোর কথা বলা হলেও বাস্তবে সেই পরিস্থিতি তৈরি হয়নি।”
তিনি ঘরছাড়া মানুষদের নিরাপদে ঘরে ফেরানোর দাবি জানান এবং নির্বাচনী প্রক্রিয়া নিয়ে উদ্বেগ প্রকাশ করেন।
এর জবাবে মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারী বলেন, “কেউ ঘরছাড়া হয়েছে বলে আমার জানা নেই। যাদের বিরুদ্ধে কোনো অভিযোগ নেই, তারা যদি বাইরে থেকে থাকে তাহলে পুলিশ তাদের নিরাপদে ফিরিয়ে আনবে। তবে ২০১১ সালের সহিংসতার সঙ্গে যারা জড়িত ছিল, তাদের বিরুদ্ধে আইন অনুযায়ী ব্যবস্থা নেওয়া হবে।”
অধিবেশনে বক্তব্য দেন বিজেপি বিধায়ক ও প্রোটেম স্পিকার তাপস রায়, আমজনতা উন্নয়ন পার্টির বিধায়ক হুমায়ুন কবীর এবং আইএসএফ বিধায়ক নওশাদ সিদ্দিকিও। নওশাদ বলেন, “২০২১ সালের নির্বাচনের পর সহিংসতা দেখে মনে হয়েছিল, প্রয়োজনে পদত্যাগ করেও কর্মীদের বাঁচাতে হবে।”
তাপস রায় পাল্টা অভিযোগ করে বলেন, অতীতে বিজেপি প্রার্থীদের ভয়ভীতি দেখানো হয়েছিল। এখন তারাই আবার সহিংসতার অভিযোগ তুলছে।
অধিবেশন শুরুর আগেই বিধানসভা কক্ষে উত্তেজনা ছড়িয়ে পড়ে। বিজেপি বিধায়কেরা ‘ভারত মাতা কি জয়’ স্লোগান দিলে তৃণমূল বিধায়কেরা পাল্টা ‘জয় বাংলা’ স্লোগান তোলেন। পরে ‘চোর চোর’ ও ‘ফাইল চোর মমতা’ স্লোগান ঘিরে পরিস্থিতি আরও উত্তপ্ত হয়ে ওঠে। পাল্টা ভোট লুটের অভিযোগ তুলে স্লোগান দিতে থাকে তৃণমূল।
রাজনৈতিক উত্তেজনা, পাল্টাপাল্টি অভিযোগ ও স্লোগানের মধ্য দিয়েই পশ্চিমবঙ্গ বিধানসভার নতুন অধিবেশনের প্রথম দিন শেষ হয়।
স্বত্ব © ওটিএন বাংলা - 2026 | গোপনীয়তা নীতিমালা | ব্যবহারের নীতিমালা | সম্পাদকীয় নীতিমালা | Proudly Developed by @SSB it.au